fbpx

‘অন্যদের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করুন’

Pinterest LinkedIn Tumblr +
Advertisement

বর্তমান প্রজন্ম আর মানসিক অবসাদ যেন নিবিড় সম্পর্কে সম্পর্কিত। আধুনিকতার সাথে পাল্লা দিয়ে ভারি হচ্ছে তরুণ প্রজন্মের অবসাদের ঝুড়ি। বুক ভরে নিঃশ্বাস নেওয়ার জন্য অবিরাম ছুটে চলা তাদের। ছুটছে তো ছুটছেই! যেন বিরামহীন এক প্রতিযোগীতার নিগড়ে আটকা পড়ে আছে এই প্রজন্ম!

মানসিক আবসাদ নতুন কোনো বিষয় নয় কিন্তু বর্তমানে এটি প্রকট আকার ধারণ করেছে। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি মানসিক অবসাদে ভোগেন তারকারাও। এই প্রেক্ষিতে তারকাদের ভেতর সেলিনা গোমেজের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করা যায়।

সেলিনা গোমেজ একজন মার্কিন সংগীতশিল্পী এবং অভিনেত্রী। ‘কিস অ্যান্ড টেল’ নামে তাঁর প্রথম গানের অ্যালবাম প্রকাশিত হয়। অ্যালবামটি বাণিজ্যিকভাবে সফল হয় এবং বিলবোর্ডের সেরা ২০০ অ্যালবামের শীর্ষ দশে অবস্থান করে। ‘বারনি অ্যান্ড ফ্রেন্ডস’ টিভি সিরিজের মাধ্যমে তিনি অভিনয়ে আত্মপ্রকাশ করেন।

‘অন্যদের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করুন’

সমস্ত প্রতিকূলতা কাটিয়ে স্বাভাবিক জীবনের প্রতীক হয়ে উঠেছেন তিনি। ছবি: সংগৃহীত

অনেকটা সময় পর্যন্ত মানসিক অবসাদের ভেতর দিয়ে গেছেন তিনি। এক দীর্ঘ যুদ্ধ শেষে, তিনি ফিরে এসেছেন স্বাভাবিক জীবনে। মানসিক আবসাদ, উত্তরণের উপায়, ট্রিটমেন্ট নিয়ে তিনি খোলামেলা কথা বলেছেন বিভিন্ন সময়। তাঁরই কিছু অংশ বিশেষ এখানে তুলে ধরা হলো বিবিএস বাংলার পাঠকদের জন্য।

সেলিনা গোমেজের মতে, মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে খোলামেলা আলোচনা মানসিক অসুখকে নিরাময় করতে সাহায্য করে।

‘অন্যদের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করুন’

হালের ক্রেজ তিনি। ছবি: সংগৃহীত

 

তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় বিষয়গুলো নিয়ে কথা বললে ভয় অনেকটাই কমে যায়। আমার নিজেকে অন্যদের চেয়ে আলাদা মনে হত। মনে হত, কেনো আমি এভাবে রিএক্ট করি? কেনো আমি যেমন আনুভব করছি, অন্যরা তেমন করছে না? এবং অবশ্যই আমাকে কারণটি উদঘাটন করতে হবে। এ ব্যাপারে আমি সংকল্পবদ্ধ ছিলাম।‘

‘অন্যদের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করুন’

মানসিক অবসাদ কাটিয়ে উঠে এখন তিনি সুস্থ জীবন যাপন করছেন। ছবি: সংগৃহীত

সেলিনা বলেন, ‘এই জার্নিটা একান্তই আমার ছিল।‘ এই পপ সংগীতশিল্পী আরও যোগ করেন, ‘আমি যখন প্রচন্ড মানসিক অবসাদে ভুগতাম তখন আমার বন্ধুদের সাথে কথা বলা শুরু করলাম। একটা সময় দেখলাম এটা আমাকে মানসিক অবসাদ কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করেছে। এবং, এই অনুভূতি ছিল দুর্দান্ত!‘

‘অন্যদের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করুন’

তাঁকে অনেকেই ফ্যাশন আইকন মানেন। ছবি: সংগৃহীত

‘ইট এইন্ট মি’ খ্যাত এই পপ তারকা বিশ শতকের শুরুতে থেরাপিস্ট এর কাছে যাওয়া শুরু করেন। এবং এটি তাকে সুস্থ হতে সাহায্য করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন- ‘আমি থেরাপি বিষয়ে একজন বিশাল উকিল! অবসাদ খুবই সাধারণ একটা বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে যখন বর্তমানে কোনো কিছু নিয়েই নিশ্চয়তা নেই। সবসময় এটা আমার, ওটা আমার না এমন ভাবনা চলছে। কিন্তু দিনশেষে, আমাদের প্রত্যেক্যে প্রত্যেকের প্রয়োজন।‘

নিজের সম্পর্কে ভালোভাবে জানা প্রয়োজন। প্রয়োজন বুঝে নিজের পক্ষে, বিপক্ষে যুক্তি দেওয়া জরুরী। এ প্রসংগে সেলিনা বলেন, ‘আপনি যে কাজগুলো করছেন তা কেনো করছেন বা করতে চান? আপনি যা করছেন, নিজের কাছে পরিষ্কার তো? আপনি কি যথেষ্ট ধৈর্য্য ধরতে পারবেন? এমন অনেক প্রশ্ন রয়েছে যা আপনার নিজেকেই জিজ্ঞাসা করতে হবে। তবে, একই সাথে আপনার চারপাশ ঘিরে থাকা অন্যদের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করুন, বন্ধুত্ব ও বিশ্বাসকে গুরুত্ব দিন। এমনকি আজ অব্দি যা কিছু আপনাকে নেতিবাচক অনুভূতি দিয়েছে, তাকেও সমান গুরুত্ব দিন।‘

‘অন্যদের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করুন’

অনেক তরুণের ক্রাশ সেলিনা গোমেজ। ছবি: সংগৃহীত

সংগীতশিল্পী এবং অভিনেত্রী হিসেবে সফল সেলিনা এতটাই মানসিক অবসাদে ভুগতে শুরু করেন যে নিরাময়ের জন্য তাঁকে থেরাপিস্ট এর শরণাপন্ন হতে হয়েছিল। বিভিন্ন সময়ে সেলিনা গোমেজ তাঁর মানসিক অবসাদের কথা অকপটে বলেছেন। ধারণা করা হয়, জাস্টিন বিবারের সাথে ব্রেকআপের পরই তিনি মানসিক অবসাদে ভুগতে থাকেন। একটা দীর্ঘ সময় ধরে তাঁর ট্রিটমেন্ট চলে। বর্তমানে তিনি সুস্থ আছেন।

Advertisement
Share.

Leave A Reply