fbpx

আইফোনে ধীরগতি, বিপাকে অ্যাপল

Pinterest LinkedIn Tumblr +

পুরনো আইফোনে ধীরগতি থাকায় এবার নতুন করে বিপাকে পড়তে যাচ্ছে অ্যাপল। শুধু তাই নয়,এ নিয়ে তাদের জরিমানাসহ আইনি জটিলতায়ও পড়তে হচ্ছে। ইতোমধ্যেই অ্যাপলের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এজন্য মোটা অংকের টাকাও দিতে হবে এই টেক জায়ান্টকে। ইউরোকনজিউমার্স নামে একটি আইনি সংস্থা অ্যাপলের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানা গেছে।

সংস্থাটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই মামলায় বেলজিয়াম, স্পেন, ইতালি এবং পর্তুগালের ২০ লাখ আইফোন ৬, ৬ প্লাস এবং ৬ এস ডিভাইসে সমস্যার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে এটি প্রথম নয়। ইউরোকনজিউমার্স এর আগে গত মার্চে যুক্তরাষ্ট্রে অ্যাপলের বিরুদ্ধে এ ধরনের আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিল। ফলে অ্যাপলকে তখন ৫০০ মিলিয়ন ডলার দিয়ে মীমাংসার প্রস্তাব দেওয়া হয়। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের ৩৪ রাজ্যে অ্যাপল ১১৩ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করে।

মূলত ২০১৭ সালের পর থেকে পুরনো আইফোন নিয়ে আইন জটিলতা ও বিপাকে পড়তে হচ্ছে অ্যাপলকে। এমন কি সফটওয়্যার আপডেট থেকে শুরু করে ধীরগতি ও বিস্ফোরণের মতো অভিযোগও আনা হয় তাদের বিরুদ্ধে।

এ প্রসঙ্গে ইউরোকনজিউমার্সের পলিসি অ্যান্ড এনফোর্সমেন্টের প্রধান এলস ব্রাগেম্যান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মতো এখানকার গ্রাহকদের জন্য আমাদের স্বচ্ছতা ও শ্রদ্ধার সাথে কাজ করতে বলা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটি জানায়,আমরা আদালতের বাইরে অ্যাপলের সাথে এই সমস্যার সমাধান করতে ব্যর্থ হয়েছি। প্রতিটি গ্রাহকের জন্য তাদের কাছে ৬০ ইউরো করে দাবি করা হয়। কিন্তু তার সমাধান হয়নি। তবে মামলায় সফল হলে যে পরিমাণ ফোন নিয়ে অভিযোগ, তাতে অ্যাপলকে মোট ১৮০ মিলিয়ন ইউরো বা ২১৭ মিলিয়ন ডলার গুনতে হবে।

এ ঘটনায় অ্যাপলও দুঃখ প্রকাশ করেছে। পাশাপাশি তারা ব্যাটারি রিপ্লেসমেন্ট সহজলভ্য করবে বলে জানিয়েছে।

অন্যদিকে অ্যাপল ইচ্ছাকৃতভাবে পুরনো ফোন ধীরগতি করে গ্রাহকদের নতুন ফোন কেনায় উৎসাহ দিচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

তবে কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগ তা অস্বীকার করে জানায়, তারা কখনই এই কাজ করেনি এবং করবেও না। তারা কখনই ইচ্ছাকৃতভাবে ফোনের আয়ু কমাচ্ছে না বা গ্রাহককে বাজে অভিজ্ঞতাকে অসম্মান করছে না।

Share.

Leave A Reply