fbpx

ডিএনসিসি কোভিড হাসপাতালের উদ্বোধন

Pinterest LinkedIn Tumblr +

করোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য আজ রাজধানীর মহাখালীতে উদ্বোধন করা হলো দেশের সবচেয়ে বড় কোভিড হাসপাতাল। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে তৈরি করা হয়েছে এটি। যা পরিচালনা করবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

আজ রবিবার (১৮ এপ্রিল) স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক দেশের সবচেয়ে বড় কোভিড হাসপাতালটির উদ্বোধন করেছেন। এর আগে, গতকাল শনিবার সংবাদমাধ্যমকে আজ হাসপাতাল উদ্বোধন হওয়ার খবরটি জানান ডিএনসিসির মেয়র আতিকুল ইসলাম।

ডিএনসিসির মেয়র জানান, এই হাসপাতালটি মহামারীর সময় কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতাল হিসেবে ব্যবহৃত হবে। আর মহামারী শেষে সিটি করপোরেশনের জেনারেল হাসপাতাল হিসেবে এটিকে পরিচালনা করা হবে। তখন সেখানে সব ধরণের চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে। হাসপাতালটির জমি, ভবন, পানি ও বিদ্যুৎ -এর ব্যবস্থা করেছে ডিএনসিসি। আর যন্ত্রপাতি, লোকবল, ওষুধসহ অন্যান্য কারিগরি সহায়তা দেবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন সংবাদমাধ্যমকে জানান, আজ থেকে ২৫০টি শয্যা, ৫০টি আইসিইউ, ৫০টি কোভিড ইমার্জেন্সি ও ১৫০টি কোভিড আইসোলেটেড রুম নিয়ে কার্যক্রম শুরু করেছে হাসপাতালটি। আগামী সপ্তাহের মধ্যে এর শয্যা ৫০০টি করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন ব্রিগেডিয়ার নাসির উদ্দিন। এ মাসের শেষের দিকে এক হাজার শয্যার ব্যবস্থা করা হয়ে যাবে বলেও জানান তিনি।

ডিএনসিসি কোভিড হাসপাতালের উদ্বোধন

হাসপাতালে মোট শয্যা থাকবে এক হাজার, যার মধ্যে ভবনটির একটি ফ্লোরের সম্পূর্ণ অংশ জুড়ে থাকবে ২১২ শয্যার কোভিড আইসিইউ ইউনিট। ছবি: সংগৃহীত

তিনি আরো জানান, হাসপাতালটিতে আর্মি, নেভি ও এয়ারফোর্সের দেড়শ’ জনের বেশি চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারি যোগ দেবেন। হাসপাতালে মোট শয্যা থাকবে এক হাজার, যার মধ্যে ভবনটির একটি ফ্লোরের সম্পূর্ণ অংশ জুড়ে থাকবে ২১২ শয্যার কোভিড আইসিইউ ইউনিট। আর থাকছে ২৫০ শয্যার কোভিড এইচডিইউ এবং ৫০ শয্যার জরুরি বিভাগ। এরইমধ্যে, ১৫০ জন চিকিৎসক, ২০০ জন নার্স এবং ৩০০ জন কর্মচারি এ হাসপাতালে যোগ দিয়েছেন। তবে, চাহিদা অনুযায়ী মোট ৪০০ চিকিৎসক, ৭০০ নার্স এবং ৬০০ স্বাস্থ্যকর্মীর জনবল হাসপাতালটির জন্য চাওয়া হয়েছে বলে জানান হাসপাতালটির পরিচালক।

গত বছরের ৯ আগস্ট ডিএনসিসি মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম মহাখালীর এই এক লাখ ৮০ হাজার ৫৬০ বর্গফুট আয়তনের ফাঁকা মার্কেটটি পরিদর্শন করতে গিয়ে এটিকে ৫০০ শয্যার আরবান হাসপাতালে পরিণত করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এরপর থেকেই এই মার্কেটটি করোনা আইসোলেশন সেন্টার ও বিদেশগামীদের করোনা পরীক্ষার ল্যাব হিসেবে ব্যবহার করা হতো। তবে, এটি করোনা হাসপাতাল হিসেবে চালু করা হলেও আগের এই কার্যক্রমগুলো বন্ধ হবে না। বিদেশগামীদের জন্য একপাশে আলাদা জায়গা রাখা হবে বলেও জানান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন।

Share.

Leave A Reply