fbpx

আমের বাম্পার ফলন, জেনে নিন কোন আম কখন কিনবেন

Pinterest LinkedIn Tumblr +
Advertisement

বাংলাদেশের উত্তরের জেলা রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁয় বিপুল পরিমাণ আম উৎপাদিত হয়। চলতি বছর আমের ভালো ফলন হয়েছে। ইতোমধ্যে দেশের বাজারে পাকা আম আসা শুরু করেছে।

রাজশাহী জেলার আম পাড়ার সময়সূচি গত বছরের চেয়ে দুই সপ্তাহ এগিয়ে আনা হয়েছে । রাজশাহীতে এবার দেড় হাজার কোটি টাকার আম বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি বিভাগ। একইসঙ্গে প্রতি বছরের মতো এবারও আম পাড়ার সময় নির্ধারণ করে দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (৪ মে) থেকে রাজশাহী জেলায় আম পাড়া ও বাজারজাত শুরু হয়েছে। গুটি আম আগে পাঁকায় পাড়ার সময় এবছর দুই সপ্তাহ এগিয়ে আনা হয়েছে।

বুধবার (০৩ মে) জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আম সংগ্রহ, পরিবহন, বিপণন ও বাজারজাত পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত সভায় আম বাজারজাতকরণের বিষয়ে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এ সময় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বাজারে নিরাপদ, বিষমুক্ত ও পরিপক্ব আম নিশ্চিত করতে ‘ম্যাঙ্গো ক্যালেন্ডার’ প্রকাশ করা হয়। যাতে আম পাড়ার সময় সূচি নিয়ে আম চাষীদের মধ্যে কোন ধরনের বিভ্রান্তি সৃাষ্টি না হয়।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (৪ মে) থেকে গুটি আম বাজারজাত করা যাবে। গোপালভোগ ১৫ মে, লক্ষণভোগ বা লখনা ও রানি পছন্দ ২০ মে, হিমসাগর বা ক্ষীরশাপাত ২৫ মে, ৬ জুন থেকে ল্যাংড়া, ১৫ জুন থেকে ফজলি, ১০ জুন আম্রপালি এবং ১০ জুলাই থেকে আশ্বিনা ও বারি আম-৪, ১০ জুলাই থেকে গৌড়মতি এবং ২০ আগস্ট ইলামতি আম বাজারজাত শুরু হবে। পাশাপাশি কাটিমন ও বারি আম-১১ সারা বছরই বাজারজাত করা যাবে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর জানায়, গত বছর এক হাজার কোটি টাকার আম বিক্রি হয়। এবার দেড় হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। গত বছর ১৮ হাজার ৫১৫ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছিল। এ বছর ১৯ হাজার ৫৭৮ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ২ লাখ ৫৮ হাজার মেট্রিক টন উৎপাদন হবে। এর মধ্যে ৩০০ মেট্রিক টন বিদেশে রফতানি হবে।

আমের বাম্পার ফলন, জেনে নিন কোন আম কখন কিনবেন

তবে চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলায় এবার ও থাকছে না আম পাড়ার কোনো নির্দিষ্ট সময়। এ জেলায় এবার নির্দিষ্ট সময় বেধে দিতে চেয়েছিল জেলা প্রশাসন তবে জেলার আম চাষী , ব্যবসায়ী ও রপ্তানিকারকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আম পাড়ার কোন নির্দিষ্ট সময় বেধে দেয়নি প্রসাশন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক এ কে এম গালিব খাঁন বলেন, চাষী, উদ্যোক্তা ও কৃষকের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এবারও আম ক্যালেন্ডার করা হয়নি। ফলে বিভিন্ন জাতের আম পাঁকলেই বাজারজাত করতে পারবেন আম চাষীরা।
সাতক্ষীরা জেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে আম পাড়া শুরু হয়েছে শনিবার (০৬ মে)। দ্বিতীয় দিনেই দর নিয়ে হতাশ হয়ে পড়েছেন চাষী ও ব্যবসায়ীরা। সব ধরনের আমের দাম ছিল গত মৌসুমের তুলনায় অর্ধেক।

এবার সাতক্ষীরা জেলায় আমের বাম্পার ফলন হওয়ায় বাজারে আমের সরবারহ বেড়েছে ব্যাপক হারে। আমের আড়তগুলোতে তিলধারনের ঠাঁই নেই। মূলত সরবারহ এমন থাকার কারণেই আমের দরপতন হয়েছে বলে মনে করছেন সাতক্ষীরার আম চাষীরা। পাইকারি বাজার এমন থাকলে বড় ধরনের লোকসানের আশঙ্কা করছেন আমচাষী ও ব্যবসায়ীরা।

Advertisement
Share.

Leave A Reply