fbpx
BBS_AD_BBSBAN
২২শে ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ৯ই ফাল্গুন ১৪৩০ | পরীক্ষামূলক প্রকাশনা

আরও দুই দিন বাড়ল যুদ্ধবিরতির মেয়াদ

Pinterest LinkedIn Tumblr +
Advertisement

হামাস ও ইসরায়েল সরকারের চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আজ মঙ্গলবার শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা বাড়াতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে উভয় পক্ষ। এরই অংশ হিসেবে মেয়াদ আরও দুই দিন বাড়ানো হয়েছে।
হামাস ও কাতারের পক্ষ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা করেছে।

আলজাজিরা, বিবিসি ও সিএনএনের তথ্য মতে, মেয়াদ বাড়াতে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ছে। প্রাথমিকভাবে দু’পক্ষের পাশাপাশি কাতার, মিসর ও যুক্তরাষ্ট্র এ ব্যাপারে একমত হয়েছে।

নিজেদের শর্ত পূরণ সাপেক্ষে হামাস ও ইসরায়েলও গাজায় ‘মানবিক’ বিরতির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। যত দিন জিম্মি মুক্তি অব্যাহত থাকবে, ততদিন এর মেয়াদ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

হামাস বলেছে, তারাও অস্থায়ী এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে চায়, যদি ইসরায়েল আরও ফিলিস্তিনি কারাবন্দিদের মুক্তি দিতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করে।

কাতার ও মিসরের মধ্যস্থতায় হামাস-ইসরায়েল সংঘাত শুরুর ৪৮ দিন পর গত শুক্রবার থেকে অস্ত্রবিরতি শুরু হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির এই চার দিনে হামাস ৫০ জন ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেবে; বিনিময়ে ইসরায়েল তাদের কারাগারে বন্দি ১৫০ জন ফিলিস্তিনিকে ছেড়ে দেবে এবং গাজায় ত্রাণবাহী ২০০ ট্রাকের পাশাপাশি ১ লাখ ৪০ হাজার লিটার জ্বালানি ও গ্যাসভর্তি অন্তত চারটি লরি প্রবেশের অনুমোদন দেবে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতির প্রধান জোসেপ বোরেল ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে ‘দীর্ঘস্থায়ী’ যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছেন।

রয়টার্স জানায়, মিসর, কাতার ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচকরা যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে একমত হওয়ার কাছাকাছি পৌঁছেছেন। এখন আলোচনা চলছে কত দিন এবং কোন কোন বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হবে– তা নিয়ে। হামাস আরও চার দিন মেয়াদ বাড়াতে চাচ্ছে। অন্যদিকে ইসরায়েল চায়, দৈনিক ভিত্তিতে সময় বাড়াতে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, তিনি জিম্মি মুক্তির বিষয়ে রোববার বাইডেনের সঙ্গে কথা বলেছেন। প্রতিদিন অন্তত ১০ জন করে জিম্মিকে মুক্তি দেওয়া হলে তিনি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধির প্রস্তাবকে স্বাগত জানাবেন।

তবে বাইডেনকে তিনি আরও বলেছেন, যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হলে তারা পুনরায় পূর্ণমাত্রার যুদ্ধে ফিরে যাবেন এবং তাদের ‘লক্ষ্য’ অর্জন না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ অব্যাহত রাখবেন। আর তাদের লক্ষ্য হলো হামাসকে নির্মূল করা এবং অবশ্যই সব জিম্মির মুক্তি নিশ্চিত করা।

Advertisement
Share.

Leave A Reply