fbpx

আরও ২ হাজার সাংবাদিক পাবেন করোনাকালীন সহায়তা

Pinterest LinkedIn Tumblr +

করোনার সময়ে আরও দুই হাজার সাংবাদিককে সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

রবিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের জরুরি সভাশেষে সাংবাদিকদের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ও সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. হাছান মাহমুদ। এ সময় করোনা আক্রান্ত অবস্থায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হন চিকিৎসাধীন তথ্যসচিব ও ট্রাস্টি বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান খাজা মিয়া।

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এ সময় মহামারির মধ্যে কর্মরত সাংবাদিকদের প্রতি ধন্যবাদ এবং মৃত্যুবরণকারী সাংবাদিকদের আত্মার শান্তি, অসুস্থদের সুস্থতা এবং পৃথিবীর করোনামুক্তি কামনা করেন।

তিনি বলেন, লকডাউন এবং সরকারি ছুটিতে যেখানে মন্ত্রণালয়গুলো বন্ধ, তার মধ্যে জরুরি এই বৈঠক ডাকার মূল কারণ হলো, সরকারের পক্ষ থেকে কিভাবে সাংবাদিকদের সাহায্য করা যায় সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া। ট্রাস্টি বোর্ডের সভায় আপাতত ২ হাজার সাংবাদিককে জনপ্রতি ১০ হাজার টাকা করে এককালীন সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। এছাড়া, কল্যাণ ট্রাস্টের নিয়মিত সহায়তার আওতায় এই অর্থবছরে আরো প্রায় দুই শ’র বেশি সাংবাদিককে সহায়তা দেওয়া হবে বলেও জানান ড. হাছান মাহমুদ।

সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান এ সময় আরো জানান, এর আগে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে প্রথম দফায় সারাদেশে দলমত নির্বিশেষে অস্বচ্ছল, নানা কারণে চাকরিচ্যুত বা চাকরি থাকা সত্ত্বেও বেতন না পাওয়া ৩ হাজার ৩৫০ জন সাংবাদিককে সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এমনকি, যেসব সাংবাদিক প্রেসক্লাবের সামনে দাঁড়িয়ে সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন, তাদের মধ্যে যারা অস্বচ্ছল, তারাও যেন এই সহায়তা থেকে বাদ না যায়, সেই অনুরোধ করেছিলেন সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দের কাছে। তারা সরকারের এই অনুরোধ রেখেছিলেন বলে তাদেরকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

ড. হাছান মাহমুদ এ সময় দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, করোনাকালে অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মতো সংবাদ মাধ্যমগুলোও নানা সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। করোনাকালীন যাদের চাকরিচ্যুতি হয়েছে তাদেরকে পুণর্বহাল করার বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা চলছে এবং সাংবাদিক ইউনিয়নগুলোও চেষ্টা করছে বলে জানান ‍তিনি।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আরো বলেন, করোনাকালে সাংবাদিকদের যে এককালীন সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, এ ধরণের কোনো সহায়তা এখন পর্যন্ত ভারত-পাকিস্তান-নেপাল-ভুটান-শ্রীলংকা কোথাও দেওয়া হচ্ছে না। শুধু ভারতে করোনায় কেউ যদি মারা যায়, সেক্ষেত্রে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু করোনাকালে অস্বচ্ছল বা চাকরিচ্যুত হয়েছে এমন কাউকে সেখানে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে না।

সভায় এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যদের প্রধান তথ্য অফিসার সুরথ কুমার সরকার, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক-৭ মোহাম্মদ ফিজনূর রহমান, অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. গোলাম মোস্তফাসহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

Share.

Leave A Reply