fbpx

আরমানিটোলায় অগ্নিকাণ্ডে পাঁচজনের মৃত্যুর ঘটনায় শ্রমিক ফোরামের উদ্বেগ

Pinterest LinkedIn Tumblr +

রাজধানীর পুরান ঢাকার আরমানিটোলার হাজী মুসা ম্যানসনের কেমিক্যাল গোডাউনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিরাপত্তাকর্মীসহ পাঁচজনের মৃত্যু এবং ২২ জন আহত হওয়ার ঘটনায় শ্রমিক নিরাপত্তা ফোরাম-এসএনএফ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। রবিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে সংগঠনটি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আরমানিটোলার হাজী মুসা ম্যানসনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিরাপত্তাকর্মীসহ পাঁচজন নিহত এবং ২২ জন আহত হন। গুরুতর আহতরা শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এর আগেও ২০১০ সালের ৩ জুন পুরান ঢাকার নিমতলীতে রাসায়নিকের গুদামে লাগা আগুনে ১২৪ জন মানুষ পুড়ে মারা যায়। এরপর ২০১৯ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতে পুরান ঢাকার চুড়িহাট্টার ওয়াহেদ ম্যানশনে রাসায়নিকের গুদামে ভয়াবহ আগুনে প্রাণ হারায় ৭১ জন। এইসব ঘটনায় গঠিত একাধিক তদন্ত কমিটি তাদের সুপারিশ দিলেও পুরান ঢাকা থেকে সরেনি অবৈধ রাসায়নিকের গুদাম।

শ্রমিক নিরাপত্তা ফোরাম জানিয়েছে, চূড়িহাট্টার অগ্নিকাণ্ডের পর সরকারের বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে পুরান ঢাকা থেকে এসব রাসায়নিক গুদাম সরানোর জন্য বেশ তোড়জোড় শুরু হলেও, কিছুদিন পর তা স্তিমিত হয়ে পড়ে। ঢাকার আবাসিক ভবনগুলো থেকে রাসায়সিক দ্রব্যাদি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়ার জন্য উচ্চ আদালত নির্দেশনা প্রদান করলেও আরমানিটোলার ঘটনা প্রমাণ করে পুরান ঢাকা থেকে রাসায়নিকের দোকান ও গুদাম সরানোর কোনো অগ্রগতিই হয়নি। উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে আবাসিক ভবন থেকে রাসায়নিক দ্রব্যাদি না সরানোয় এমন প্রাণহানির ঘটনা ঘটে চলেছে বলে মনে করছে সংগঠনটি।

ফোরাম উপরোক্ত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, নিহত ও আহতদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান, আহতদের সুচিকিৎসা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। একইসঙ্গে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা এবং বিভিন্ন তদন্ত কমিটির সুপারিশ মোতাবেক আবাসিক ভবন থেকে রাসায়নিকের দোকান, গুদাম ও কারখানা আধুনিক নিরাপত্তা ও সুযোগ সুবিধা সম্বলিত স্থানে সরিয়ে নেয়ার উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে শ্রমিক ফোরাম।

Share.

Leave A Reply