fbpx

আলোচনায় ‘লাল মোরগের ঝুঁটি’র পোস্টার

Pinterest LinkedIn Tumblr +
Advertisement

১ ডিসেম্বর উন্মোচন হলো নূরুল আলম আতিক পরিচালিত দ্বিতীয় চলচ্চিত্র ‘লাল মোরগের ঝুঁটি’র পোস্টার। লিটন করের ডিজাইন করা পোস্টারটি এরই মধ্যে সারা ফেলেছে নেট দুনিয়ায়।

জয়া আহসান থেকে শুরু করে অনেক শিল্পী, নির্মাতা ও সাধারণ দর্শককে পোস্টারটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করতে দেখা যায়।

লিটন কর বলেন, ‘সিনেমার পোস্টার আমার কাছে সিনেমার সিনেমা। কারণ পোস্টার দেখে মানুষ সিনেমাটা সম্পর্কে এক ধরনের ধারনা পায় এবং অনেক ক্ষেত্রে সিনেমাটি দেখা বা না দেখার সিদ্ধান্তও নেয়। এমনিতেই পোস্টার একটি আদালা এবং শক্তিশালী শিল্প মাধ্যম, পোস্টারের রয়েছে নিজস্ব চরিত্র কিংবা মানুষের সাথে সংযোগ তৈরি করার অপরিসীম ক্ষমতা। ‘লাল মোরগের ঝুঁটি’ সিনেমাটিতে প্রোডাকশন ডিজাইন (শিল্প নির্দেশনা) এবং সহযোগী পরিচালক ( associate director) হিসেবে কাজ করার ফলে এই ছবির পোস্টার ডিজাইন করা আমার জন্য একটু কঠিনই ছিলো। যেহেতু এটি মুক্তিযুদ্ধের সময়ের গল্প এবং এই গল্পে অসংখ্য চরিত্র আমি ঠিক বুঝতে পারছিলাম না পোস্টারে কোন ইমেজ কেমন কিভাবে উপস্থিত হলে ছবির মূল ভাবনাকে প্রকাশ করবে। ১৯৭০ বা তারও আগে এ অঞ্চলে সিনেমার পোস্টারসহ যে কোন বিজ্ঞাপনে সাদা কালোর “কাটআউট” পদ্ধতি ব্যবহার হতো, সে সময়কে স্মরণ করার জন্য আমার কাছে মনে হলো কাঠখোদাই চিত্রের যে চরিত্র সে রকম কিছু হলে লাল মোরগের ঝুঁটি ছবিটির মূল অনুভূতির সাথে যেমন সংযোগ স্থাপন করে তেমনি ৭১ এর সময়কালকেও ধরা যায়, তাই আমি চেষ্টা করেছি কাঠখোদাই এর পদ্ধতিতে এই পোস্টারটি ডিজাইন করতে। মুক্তিযুদ্ধে মতো বাঙালির জাতির ঐতিহাসিক সময়কে স্মরণে রেখে সে সময়ের দম বন্ধ করা অনুভূতি টুকুই আমার এই পোস্টারের অনুপ্রেরণা।’ এই ছবিটি মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আমাদের এতোদিনকার জানা-অজানাকে নতুন মাত্রা দেবে।’

নূরুল আলম আতিকের ‘মানুষের বাগান’, মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘শনিবার বিকেল’ নিয়ামুল মুক্তার ‘কাঠবিড়ালী’সহ আরো কিছু ছবির ছবির পোস্টার করেছেন লিটন কর।

এর আগে ২৫ নভেম্বর প্রকাশ করা হয় ছবির ট্রেলার, ২০ নভেম্বর প্রকাশ করা হয় ছবিটির অ্যানিমেশন টিজার।

গত ৭ নভেম্বর ছবিটি সেন্সর ছাড়পত্র পায়। ১০ ডিসেম্বর ছবিটি মুক্তি দেওয়ার প্রস্তুতি পর্বে আছেন নির্মাতা ও এ ছবির কলাকুশলীরা। চলছে প্রচার প্রচারণার কাজও।

পাণ্ডুলিপি কারখানা প্রযোজিত ছবিটি ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে সরকারি অনুদান পায়। ২০১৬ সালে শুটিং শুরু হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধের গল্পের এই ছবির।

এ ছবির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন, লায়লা হাসান, আহমেদ রুবেল, আশনা হাবিব ভাবনা, অশোক বেপারী, আশীষ খন্দকার, জয়রাজ, শিল্পী সরকার, ইলোরা গওহর, জ্যোতিকা জ্যোতি, দিলরুবা দোয়েল, স্বাগতা, শাহজাহান সম্রাট, দীপক সুমন, খলিলুর রহমান কাদেরী, অনন্ত মুনির, সৈকত, যুবায়ের, আশেক-মাশেক, মতিউল আলম, হাসিমুনসহ কুষ্টিয়া, টাঙ্গাইল এবং গৌরীপুর এলাকার সাধারণ মানুষ।

ছবিটির প্রযোজক হিসেবে আছেন মাতিয়া বানু শুকু, চিত্রগ্রহণে সুমন সরকার, কাশেফ শাহবাজী, মাজাহারুল ইসলাম, সম্পাদনা সামির আহমেদ, শব্দে সুকান্ত মজুমদার, সংগীতে আছেন রাশিদ শরীফ শোয়েব, শিল্প নির্দেশনায় লিটন কর, ওয়াদুদ রেইনি, পোশাক পরিকল্পনায় শারমিন নাহার লাকী, আফরোজা, মৃন্ময়ী সরকার, রূপসজ্জায় মো. ফারুক, ফরহাদ রেজা মিলন।

Advertisement
Share.

Leave A Reply