fbpx

ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধে এশিয়ামুখী আমেরিকা-ইউরোপের রাষ্ট্র নেতারা

Pinterest LinkedIn Tumblr +
Advertisement

ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে পশ্চিম এশিয়ামুখী আমেরিকা-ইউরোপের রাষ্ট্র নেতারা। আমেরিকান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের লম্বা সফরের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ইজরায়েলে পৌঁছান ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক। সেখানে বৈঠক সেরেই তিনি সৌদি আরবের উদ্দেশে রওনা দেন সৌদি যুবরাজ মহম্মদ বিন সালমানের সাথে সাক্ষাৎ করতে।

ইজরায়েল  ছাড়ার আগে  ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জানান, এই যুদ্ধে ইজরায়েলের জয়ই দেখতে চান তিনি। এরপর ব্রিটেনের পররাষ্ট্র-মন্ত্রী জেমস ক্লেভেরলিও আজ-কালের মধ্যেই যাচ্ছেন মিশর, তুরস্ক এবং কাতার সফরে।

কূটনীতিকদের মতে, এই উৎকণ্ঠা বা উত্তেজনার কারণ শুধু ইজ়রায়েল-হামাস যুদ্ধ নয়। মূলত  গাজায় চলমান ইজরায়েলি আগ্রাসন  নিয়ে ইজরায়েল ও তার ‘বন্ধু’ পশ্চিমি দেশগুলোর উপর মারাত্বক চটে আছে সৌদি আরব । এ অবস্থায় তেল ও সম্পদ সমৃদ্ধ আরবের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায়ে রাখাই হচ্ছে আসল উদ্দেশ্য ব্রিটেন তথা পশ্চিমের দেশগুলো।

সৌদি আরবের কার্যত শাসক মোহাম্মদ বিন সালমান  ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসকে  বলেছেন, ফিলিস্তিনি জনগণের একটি যথোপযুক্ত জীবনযাপনের বৈধ অধিকার অর্জন, তাঁদের আশা-আকাঙ্ক্ষার অর্জন ও ন্যায়সংগত, স্থায়ী শান্তি অর্জনের জন্য তাঁদের পাশে থাকবে রিয়াদ।

তাই যদি হবে তাহলে ,ইজরায়েল-গাজ়ার পরিস্থিতি আজও কেনো একই রকম? কি ভূমিকা পালন করছে ইসলামের মসিয়া দেশ সৌদি আরব ?গাজার বয়োবৃদ্ধ, শিশু সবাই তাদের সাহায্যের আশায় বসে আছে!

আজ ওয়েস্ট ব্যাঙ্কেও হামলা চালিয়েছে ইজ়রায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। আজও তারা নিরীহ ফিলিস্তিনিদের খুন করা অব্যাহত রেখেছে।গাজার হাসপাতাল,গীর্জা,মসজিদ কোন কিছুই বাদ যাচ্ছে না তাদের রকেট ও বিমান হামলা থেকে।

একটানা গোলাবর্ষণে ক্লান্ত গাজাবাসী।  আরবের সাহায্য চান না তাঁরা। তারা জানিয়েছে, কোনও মুসলিম দেশের থেকে কিছু চাওয়ার নেই তাদের। সব আশা-ভরসা ঈশ্বরের উপরই। আর একটাই প্রার্থনা— এই বোমাবর্ষণ বন্ধ হোক।

বলছিলেন, ৭০ বছর বয়সি রাফাত আল নাখালা। হামাস আর ইজ়রায়েলের বহু যুদ্ধের সাক্ষী তিনি। সব হারানো দেখেছেন, বেকারত্ব দেখেছেন, দারিদ্রে কাটিয়েছেন গোটা এক জীবন। কিন্ত গাজার এখনকার পরিস্থিতি, অবর্ণনীয়। ইজ়রায়েলের নির্দেশ মতো উত্তর ছেড়ে দক্ষিণ গাজ়ায় পালিয়ে এসেছেন তিনি। তবে তাঁর কথায়, গাজ়ার কোনও জায়গাই আর নিরাপদ নয়।

গাজায় রাস্তাঘাট বলে আর কিছু নেই। কেউ জখম হলে তাকে যে হাসপাতাল পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হবে, সেই উপায় নেই। বিদ্যুৎ নেই, পানীয় জল নেই। একা এক কোণায় পড়ে রয়েছে মানুষজন, মৃত্যুভয় নিয়ে। সেই সঙ্গে তাড়া করছে আতঙ্ক, এর পর কী হবে?

গতকাল, ২১ অক্টোবর জো বায়ডেন ফিলিস্তিনিদের জন্য ২০ ট্রাক ত্রাণসাহায্য পাঠানোর কথা ঘোষণা করেছেন। কিন্তু স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলির বক্তব্য, ওইটুকু ত্রাণে কিছু হবে না। সাধারণ মানুষ বলছে একদিকে ইজারায়েল কে উস্কে দিয়ে, সামরিক সহায়তা দিয়ে যুদ্ধকে আরো ভয়াবহ রূপ দিয়ে গাজায় এসব দেশের ত্রান পাঠানোর ব্যাপারটি এই শতকের অন্যতম বড় একটি প্রহসন!

 

 

Advertisement
Share.

Leave A Reply