fbpx

ইনস্টাগ্রাম থেকে আয় করবেন যেভাবে

Pinterest LinkedIn Tumblr +

বর্তমান সময়ে তরুণদের কাছে জনপ্রিয়তার শীর্ষে আছে ইনস্টাগ্রাম। বার্তা আদান প্রদান, ছবি, ভিডিও শেয়ারিং ছাড়াও ঘরে বসেই আয় করতে পারবেন এই সোশ্যাল মিডিয়া থেকে।

চলুন জেনে নিই, কীভাবে ইনস্টাগ্রাম থেকে আয় করতে পারবেন-

পণ্য বিক্রি করে
মেটার মালিকানাধীন এই অ্যাপে আপনি ফেসবুকের মতো পণ্য বিক্রি করতে পারবেন। ইনস্টাগ্রাম শপ ফিচার ব্যবহার করে প্রোফাইলে পণ্যসমূহ প্রদর্শন করতে পারেন। এছাড়াও যে কোনো পোস্টে আপনার প্রোডাক্ট থাকলে তা ট্যাগ করার সুবিধা রয়েছে। এই ট্যাগে ক্লিক করলে ব্যবহারকারীরা সরাসরি আপনার প্রোডাক্ট কিনতে পারবে।

তবে পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার কোনো ফিজিক্যাল প্লেসে আপনার প্রোডাক্টসমূহ স্টোর করতে হবে। এরপর প্রোডাক্টসমূহের আকর্ষণীয় ছবি ইনস্টাগ্রামে আপলোড করুন প্রোডাক্ট ট্যাগ করে। এভাবে আপনার অনুসারীরা আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে খুব সহজেই জানতে পারবে।

ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং
ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিংকে ইনস্টাগ্রামে আয়ের সবচেয়ে সেরা মাধ্যম হিসেবে দেখা হয়। ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে আপনি যদি ইনফ্লুয়েন্সার স্ট্যাটাস অর্জনে সক্ষম হন, সেক্ষেত্রে যে কোনো পণ্য বা ব্র্যান্ডকে সহজেই প্রোমোট করতে পারবেন।

তবে অবশ্যই জানতে হবে ইনফ্লুয়েন্সার আসলে কী? কারা হতে পারেন এই ইনফ্লুয়েন্সার?
ইনফ্লুয়েন্সার হলেন এমন একজন ব্যক্তি যিনি সোশ্যাল মিডিয়াতে নিয়মিত পোস্ট করে সম্মান ও ফলোয়ার অর্জন করেছেন। ইনফ্লুয়েন্সারদের ভালো ফলোয়ার থাকায় তারা তাদের দর্শককে কোনো প্রোডাক্ট কিনতে বা সিদ্ধান্ত নিতে প্রভাবিত করতে পারে।

নিজেদের পণ্যের প্রচারে তাই নামিদামি ব্র্যান্ডগুলো স্পন্সরড পোস্টের জন্য ইনফ্লুয়েন্সারদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তবে ব্র্যান্ডের কাছ থেকে স্পন্সরড পোস্টের প্রস্তাব পেতে প্রথমেই ইনস্টাগ্রাম এর ফলোয়ার বাড়াতে হয় ও যথাযথ এনগেজমেন্ট থাকতে হয়।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং
ইনস্টাগ্রামে অন্যদের প্রোডাক্ট প্রোমোট বা সেল করে বিক্রিত হওয়া প্রোডাক্টের অর্থের শেয়ার থেকে আয় করা সম্ভব। একে বলা হয় অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং।

তবে ইনফ্লুয়েন্সার ও অ্যাফিলিয়েট এর মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। ইনফ্লুয়েন্সার শুধু ব্র্যান্ডের অনুরোধে স্পন্সরড পোস্ট করে থাকে। আর অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার অ্যাফিলিয়েট প্রোডাক্ট এর সেল বা লিড জেনারেট করতে কাজ করে।

অ্যাসিস্ট্যান্ট বা সহকারী হিসেবে 
আপনি নিজে যদি একজন ইনফ্লুয়েন্সার হতে না চান কিন্তু আপনার সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট সম্পর্কে যথেষ্ট ধারণা থাকে, তাহলে কোনো ব্র্যান্ড, পাবলিক ফিগার বা ইনফ্লুয়েন্সার এর অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করেও আয় করতে পারেন।

স্পন্সরশিপ রিকুয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট, এড রান করা, ফেক ফলোয়ার আইডেন্টিফাই করার মত বিভিন্ন কাজে ইনফ্লুয়েন্সারদের সাহায্যের প্রয়োজন হয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে ইনফ্লুয়েন্সারদের সাহায্য করতে পারেন ও তার বিনিময়ে অর্থ চার্জ করতে পারেন। ফাইভার ও আপওয়ার্ক এ এই ধরনের প্রচুর কাজ পাওয়া যায়।

ফটোগ্রাফি
ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা ফটো ও ভিডিও থেকেও আয় করা সম্ভব। আপনি যদি ফটোগ্রাফিতে দক্ষ হয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে একাধিক উপায়ে ইনস্টাগ্রাম আপনার আয়ের মাধ্যম হতে পারে।

অনেক ব্র্যান্ড তাদের প্রোডাক্টের প্রফেশনাল ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করার জন্য ফটোগ্রাফার খোঁজেন। আপনি চাইলে কোনো ব্র্যান্ডের সঙ্গে আপনার প্রপোজাল নিয়ে যোগাযোগ করতে পারেন। এছাড়াও ইনফ্লুয়েন্সারদের প্রায় সময় ফটোশুট এর প্রয়োজন হয়। ইনফ্লুয়েন্সারদের ফটোশুট করেও আয় সম্ভব।

সূত্র: শপিফাই

Share.

Leave A Reply