fbpx

ই-কমার্স গ্রাহকরা পাওনা ফেরত পাবেন সিআইডির অনুমোদন পেলেই

Pinterest LinkedIn Tumblr +

ই-কমার্স গেটওয়েতে আটকে থাকা ২১৪ কোটি টাকা ফেরত পেতে যাচ্ছেন গ্রাহকরা। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) অনুমোদন পেলেই এসক্রো সার্ভিসে জমা থাকা এই টাকা গ্রাহকেরা ফেরত পেতে শুরু করবেন। তবে সার্ভিস চার্জ বাবদ গ্রাহকদের টাকা থেকে ১ শতাংশ হারে টাকা কেটে রাখা হতে পারে। যেহেতু এই টাকা অনলাইনে দেওয়া হয়েছে, তাই অনলাইনেই ফেরত পাবেন গ্রাহকেরা। এদিকে, এক মাসের মধ্যে শুরু হবে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন প্রক্রিয়াও। দেওয়া হবে ইউনিক বিজনেস আইডি।

আজ সোমবার (১ নভেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের গঠন করে দেওয়া কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও কমিটির সমন্বয়ক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান।

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোকে তদারকি ও পরিবীক্ষণের আওতায় আনা এবং সাম্প্রতিক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের অনৈতিক ব্যবসার কারণে যেসব ভোক্তা প্রতারিত হয়েছেন, তাদের অধিকার সুরক্ষার বিষয়ে এ মাসেই এ কমিটি গঠন করা হয়।

অতিরিক্ত সচিব বলেন, ২১৪ কোটি টাকা শুধু সিআইডির কাছে ফ্রিজ করা আছে, এটা ডিফ্রিজ হলে গ্রাহকদের কাছে ফেরত যাবে। বাকি তথ্যগুলো হাতে এলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

সচিব আরও জানান, অভিযুক্তদের তিনটি তালিকা করেছে তিনটি গোয়েন্দা সংস্থা। সেই তালিকা তুলে দেওয়া হবে আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থার কাছে।

এর আগে, গেটওয়েতে আটকে থাকা গ্রাহকদের টাকা কেন ফেরত দেওয়া হবে না জানতে চেয়ে রুল জারি করেন উচ্চ আদালত।

এ বছরের ৩০ জুন থেকে এসক্রো সার্ভিস চালু করে বাংলাদেশ ব্যাংক। পণ্যের অর্ডার করে গ্রাহকের দেওয়া আগাম টাকা জমা থাকে পেমেন্ট গেটওয়েতে। পণ্য বুঝে পেলেই কেবল তখন টাকা ছাড় করা হয় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোকে। এভাবে গ্রাহকের ২১৪ কোটি টাকা আটকা পড়ে গেটওয়েতে।

৩০ জুনের পর যে ২১৪ কোটি টাকা আটকে আছে, তা দ্রুত ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানান সফিকুজ্জামান। তিনি জানান, এরইমধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগে চিঠি দেওয়া হয়েছে এবং টাকা জব্দ করা আছে। এটি ডি-ফ্রিজ হলেই ভোক্তাদের ফেরত দেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, এসক্রো চালু হওয়ার আগের গ্রাহকদেরও প্রায় ২৬০ কোটি টাকা জমা আছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে কথা বলা হয়েছে। বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) থেকে তথ্য পাওয়ার পর এ টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সফিকুজ্জামান জানান, এটুআইকে (এসপায়ার টু ইনোভেট) কিছু দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ইউনিক বিজনেস আইডেনটিফিকেশন নম্বরের (ইউবিআইএন) ফরম্যাট দিয়েছে তারা, যা বৈঠকে অনুমোদিত হয়েছে। দ্রুতই এটা চালু করা হবে। ই-কমার্স পরিচালনা করতে নিবন্ধন লাগবে। ব্যবসা যাতে মুখ থুবড়ে না পড়ে যায়, সে কারণেই এটা সহজ করা হবে।

Share.

Leave A Reply