fbpx

ঋতুবতী কন্যার বারণ

Pinterest LinkedIn Tumblr +
Advertisement

ঋতুস্রাব বা পিরিয়ড প্রাপ্ত বয়স্ক নারীর জীবনে এক নিয়মিত ঘটনা। শরীরে পরিবর্তনের সাথে সাথে এ সময়টায় নারী মানসিকভাবেও কিছু ভিন্ন পরিস্থিতির ভেতর দিয়ে যায়। তাই এর সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াই স্বভাবজাত কাজ হওয়া উচিত। একই সঙ্গে এ সময় করা ঠিক নয় এমন কিছু বিষয়ও মেনে চলা উচিত। তা নিয়েই এ আলাপ।

 পরিশ্রম বেশি করা

নারীদের ভিন্নতা আনা গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যঙ্গ থাকে তাদের পেটে। যেমন জরায়ু বা ডিম্বাশয়। তাই খুব বেশি পরিশ্রম বা ভারি ব্যায়াম থেকে বিরত থাকা উচিত। যেন তলপেটে বেশি চাপ না পড়ে এটি এসময় খেয়াল রাখা উচিত।

ঋতুবতী কন্যার বারণ

ভারি ব্যায়াম এ সময়ে নয়। ছবি : সংগৃহীত

টয়লেট চাপিয়ে রাখা

এই বদঅভ্যাস অনেক নারীই আছে। প্রস্রাব পেলে তা আটকে রাখা কখনোই উচিত নয়। এটি কিডনির ওপরে ভয়াবহ রকমের চাপ ফেলে। বারবার প্যাড পাল্টানোর ভয়ে অনেকেই পিরিয়ডের সময় প্রস্রাব চেপে রাখেন। এটি অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস। এটি করলে তলপেটের ওপর চাপ পড়ে এবং ব্যথা বেশি সময় থাকে।

ঋতুবতী কন্যার বারণ

স্বাস্থ্যকর টয়লেটের অভাবে অনেক মেয়েরই এ বদঅভ্যাসটি হয়ে থাকে। ছবি : সংগৃহীত

 উপুড় হয়ে শোয়া

অনেক মেয়েই পিরিয়ডের সময় পেটে ভীষণ ব্যথা থাকে বলে পেটে চাপ দিয়ে শুয়ে থাকেন। উপুড় হয়ে শুয়ে থাকলে তা পেটে এমনভাবে চাপ ফেলে যে সেটা মোটেও ভালো নয়। এতে রক্ত সঞ্চালন ব্যাহত হয় এবং অক্সিজেন ঠিক মতো শরীরে ঢোকে না।

ঋতুবতী কন্যার বারণ

অক্সিজেনের অভাব তৈরি হতে পারে এ কারণে। ছবি : সংগৃহীত

উত্তেজনা তৈরি

পিরিয়ডের সময় রাগ, বিরক্তি, জেদ অনেকের বেড়ে যায়। রেগে গিয়ে জোরে চিৎকার চেঁচামেচি করা উচিত নয় এসময়। কারণ এতে সরাসরি তলপেটে চাপ পড়ে। চিৎকার করতে শরীরের যেসব পেশীর ওপর জোর দিতে হয় তার মধ্যে পেটের পেশিও আছে। এটি মনে রাখা উচিত

ঋতুবতী কন্যার বারণ

নিজেকে শান্ত রাখা এ সময়টায় খুব জরুরি। ছবি : সংগৃহীত

কম পানি খাওয়া

ঘন ঘন প্রস্রাবের কথা ভেবে অনেকেই এ সময় পানি কম খান। অথচ পিরিয়ডের সময়েই বেশি করে পানি খাওয়া উচিত। প্রচুর পরিমাণে পানি পান শরীরকে দুর্বল হবার হাত থেকে বাঁচায়। এর ফলে রক্তে তরলের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য এ সময় বেশি পানি খাওয়া উচিত

ঋতুবতী কন্যার বারণ

পরিয়ডের ভিন্ন দিনগুলোতে বরং বেশি পানি পান করা উচিত। ছবি : সংগৃহীত

Advertisement
Share.

Leave A Reply