fbpx
BBS_AD_BBSBAN
৩০শে নভেম্বর ২০২২ | ১৫ই অগ্রহায়ণ ১৪২৯ | পরীক্ষামূলক প্রকাশনা

এ টি এমের মৃত্যু, ফেসবুকে তারকাদের শোক

Pinterest LinkedIn Tumblr +
Advertisement

বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেতা এ টি এম শামসুজ্জামান ২০ ফেব্রুয়ারি না ফেরার দেশে চলে যান। টেলিভিশন এবং চলচ্চিত্র দুই ক্ষেত্রেই নিজের অভিনয়ের স্বাক্ষর রেখে গেছেন এই অভিনেতা। তাঁর মৃত্যুতে শোকাহত পুরো সাংস্কৃতিক অঙ্গন। অনেক তারকাই এ টি এম শামসুজ্জামানের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

নাট্যকার মাসুম রেজা লিখেছেন, ‘আমার রঙের মানুষের বস্তানিশা’ চলে গেলেন.. তাঁর বাড়ির বৈঠকখানায় কোনো সোফা চেয়ার ছিল না, কেবল নরম তক্তপোশ বিছানো ছিলো.. সেই তক্তপোশে বসে তাঁর তত্ত্বাবধানে আমি ‘মোল্লা বাড়ির বউ’ সিনেমার স্ক্রিপ্ট লিখেছিলাম.. তিনি আমার শিক্ষক ছিলেন.. তাঁকে অশেষ শ্রদ্ধা…শান্তিতে ঘুমান এটিএম ভাই…আপনি আমার অন্তরে থাকবেন চিরদিন…’

চঞ্চল চৌধুরী লিখেছেন,শেষ পর্যন্ত সত্যটা হলো…..এ টি এম ভাই চলে গেলেন….আর হলো না দেখা….কত সময়,কত স্মৃতি….আবেগ তাড়িত হচ্ছি খুব….অপার শ্রদ্ধা…..শান্তিতে থাকুন আপন মানুষ এ টি এম শামসুজ্জামান।’

ওমর সানি লিখেছেন, ‘চলে গেলেন আমাদের সবার প্রিয় অভিনেতা এ টি এম শামসুজ্জামান ওস্তাদ। মহান আল্লাহ আপনাকে জান্নাত দান করুন। আমার চাঁদের আলো থেকে যে সহযোগিতা করেছেন আমি সারা জীবন ভুলবো না।’

মীর সাব্বির লিখেছেন, এটিএম শামসুজ্জামান একটি নাম।একটি ইতিহাস। আমার সৌভাগ্য হয়েছিল আমার পরিচালনায় তাকে নিয়ে কাজ করার ‘নোয়াশাল ‘ নাটক এ। আমার ধারণা তার অভিনীত সবচাইতে বড় সিরিয়াল ছিল এটাই। তিনি আমাকে নানা রকমভাবে ভালোবাসতেন এবং অসম্ভব দোয়া করতেন। সব সময় বলতেন মীর সাব্বির তুমি সিনেমা বানাও। তিনি প্রায়ই তার বাসায় আমাকে ডাকতেন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা মজা করতেন। আমার পরিচালিত সিনেমার খোঁজ নেওয়ার জন্য তিনি সর্বশেষ আমাকে ডেকেছিলেন তার বাড়িতে 18 ডিসেম্বর 2020। আমি আহসানুল হক মিনু এবং দেবাশীষ দে মিঠুন আমরা গিয়েছিলাম। কখন যে আড্ডা মারতে মারতে সময় পার করে দিয়েছিলাম নিজেরাও টের পাইনি।
সেটাই শেষ দেখা। হয়তো আর আর কোনদিন দেখা হবে না কিন্তু যে দোয়া উনি করেছেন সেটা যতদিন বেঁচে থাকব ভুলতে পারবোনা। নিজে থেকেই বলেছিলেন একটা ভিডিও করো, আমি ভিডিও করেছিলাম। আমার সিনেমা রাতজাগা ফুল নিয়ে অনেক কথা বলেছেন সেটা হয়তো আরেক দিন বলব। আজ নয়। চাচা মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আপনাকে বেহেস্তবাসী করবেন, আপনার মত একজন ভালো মানুষের জন্য আমাদের দোয়া অবিরাম। বাংলাদেশ যতদিন থাকবে ,বাংলাদেশের সিনেমা, নাটক যতদিন থাকবে ,বাংলাদেশের সংস্কৃতি যতদিন থাকবে, ততদিন আপনি থাকবেন মানুষের মনি কোঠায়।’

এ টি এমের মৃত্যু, ফেসবুকে তারকাদের শোক

অভিনেতা রওন হাসান লিখেছেন, ‌’এই স্নেহ …আদর…ভালোবাসা আর আশীর্বাদ!!!!! আর পাবো না !!! আর দেখা হবে না !!! আহহহ!!! আপনার আত্মা শান্তিতে থাকুক। ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা কিংবদন্তি অভিনেতা ও অভিভাবক এ টি এম শামসুজ্জামান।’

এ টি এমের মৃত্যু, ফেসবুকে তারকাদের শোক

অভিনেত্রী শাহনূর নিখেছেন, আমাদের মাঝ থেকে চলে গেলেন চিরদিনের জন্য। কিছুক্ষণ আগে তিনি মারা গেছেন বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের কার্যকরী সভাপতি একুশে পদক প্রাপ্ত খ্যাতিমান অভিনেতা এ,টি, এম শামসুজ্জামান। মহান আল্লাহ পাক উনাকে জান্নাত দান করুন। আমিন। ৫৬নং দেবেন্দ্রনাথ লেন,সূত্রাপুর তার নিজ বাসস্থানে তার লাশটি রাখা হয়েছে।।বাদ জহর তার জানাজা সূত্রাপুর মসজিদে।’

মেহজাবীন চৌধুরী লিখেছেন, ‘চলে গেলেন কিংবদন্তি অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান! ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন!’

নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী লিখেছেন, ‘এ টি এম শামসুজ্জামান আংকেল কিছুক্ষণ আগে সত্যি সত্যি আমাদের ছেড়ে চিরতরে চলে গেলেন! পরপারে ভালো থেকেন আংকেল,প্রার্থনা।’

নির্মাতা রেদওয়ান রনি লিখেছেন, ‘চলে গেলেন এ টি এম শামসুজ্জামান আংকেল। আমার প্রথম পরিচালিত চলচ্চিত্র চোরাবালির জন্য জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিলেন তিনি। কত কথা মনে পড়ছে আজ! গাজীপুরের এক বাগান বাড়ীতে চোরাবালির সেটে ঢুকেই আমাকে ধমকাধমকি শুরু করলেন! সেটাই তার সাথে আমার সম্পর্কের শুরু, বলতে পারি বন্ধুত্বের শুরু! ডাবিংয়ে এসে ফুটেজ দেখে হাত ধরে আমাকে কত যে আবেগঘন কথা বললেন! যেদিন সিনেপ্লেক্সে প্রথম পুরো ছবিটা দেখেন তারপর থেকে আমাদের বন্ধুত্ব গাঢ় হয়ে যায় ! মাঝে মধ্যেই আড্ডা হত, তর্ক হত, হত হাসাহাসি । মনেই হত না তারসাথে আমার বয়সের পার্থক্য আকাশ পাতাল। সব বয়সের মানুসের বন্ধু হয়ে যেতেন। পরবর্তীতে আমার আইসক্রিম ছবিতেও অভিনয় করলেন। কত কিছু শিখেছি তার কাছে। একটা কথা এখনো খুব কানে বাজে “পঁচা শামুকে পা কাটার মত দু:খ আর নাই” কত কিছু লিখতে ইচ্ছে করছে কত কথা কত স্মৃতি! ওপারে ভালো থাকবেন বন্ধু শ্রদ্ধাভাজন।’

অভিনেতা আফরান নিশো লিখেছেন, ‘বিদায় কিংবদন্তী অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান স্যার।’

Advertisement
Share.

Leave A Reply