fbpx

কেজি দরে তরমুজ বিক্রি করলে অভিযোগ করবেন যেখানে

Pinterest LinkedIn Tumblr +
Advertisement

দেশে চলছে তরমুজের মৌসুম। চৈত্র মাসে রসালো এই ফলটির বেশ চাহিদা থাকে। এই সুযোগে গত কয়েক বছর ধরে কেজি দরে তরমুজ বিক্রির প্রচলন শুরু হয়েছে বাজারে। যা নিয়ে বিরক্ত সাধারণ ক্রেতারা।

কৃষি বিপণন আইন ২০১৮ বলছে তরমুজসহ যে কোন ফল পিস্ হিসেবে ক্রয় করে কেজি দরে বিক্রি করা যাবে না। তবে তরমুজের ক্ষেত্রে বিশেষ নির্দেশনা হিসেবে বলা আছে, তরমুজে কেজিতে তিন থেকে পাঁচ টাকার বেশি লাভ করা যাবে না। আর পাইকারি বিক্রেতারা চাষিদের কাছ থেকে কেজি বা পিস যেভাবে কিনবেন, সেভাবেই তাদের বিক্রি করতে হবে।

কিন্তু কে শোনে কার কথা। যদিও দেশের বিভিন্ন জেলায় কেজি দরে তরমুজ বিক্রির অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসন একাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছে। তাতে কি খুব একটা কাজ হচ্ছে?

এ বিষয়ে বিবিএসবাংলা কথা বলে বেশ কজন ক্রেতার সঙ্গে। তাদের একজন ঢাকার রামপুরার জামাল হোসেন। তিনি বলেন, ‘এটা পুরোটাই প্রতারণা। তারা পিস হিসেবে কিনে বিক্রি করছেন কেজি দরে। অধিক লাভের আশায় তারা এটা করে। দিনে দুপুরে প্রশাসনের সামনেই এসব ঘটছে। কেউ কিছু বলছে না। কোথায় যাবো আমরা। ’

অনেক ক্রেতাই আছেন এই পদ্ধতির বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে চান। কিন্তু অনেকেই জানেন না কোথায় অভিযোগ করতে হবে। তাই ভুল করে কেউ কেউ জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ ফোন করেন। এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করার চেষ্টা করি জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সঙ্গে। কয়েকবার চেষ্টা করেও তাদের ফোনে পাওয়া যায়নি। তবে অধিদপ্তরের ওয়েব সাইটে পাওয়া যায় অভিযোগ করার নিয়ম কানুন। ওয়েব সাইটে লেখা আছে, ‘ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ধারা ৭৬ (১) অনুযায়ী, ‘যে কোন ব্যক্তি, যিনি, সাধারণভাবে একজন ভোক্তা বা ভোক্তা হইতে পারেন, এই অধ্যাদেশের অধীন ভোক্তা-অধিকার বিরোধী কার্য সম্পর্কে মহাপরিচালক বা এতদুদ্দেশ্যে মহাপরিচালকের নিকট ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে অবহিত করিয়া লিখিত অভিযোগ দায়ের করিতে পারিবেন।’

ফোন করতে পারেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের হটলাইন নম্বর ‘১৬১২১’তে।

শুধু তরমুজ নয়, একজন ভোক্তা হিসেবে যেকোনো পণ্য ক্রয়ে আপনি ঠকেছেন, দাম বেশি নিয়েছে, মেয়াদহীন পণ্য, ভেজালর পণ্য বিক্রি করেছে এমন যে কোনো অভিযোগ জানাতে পারেন ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে।

Advertisement
Share.

Leave A Reply