fbpx
BBS_AD_BBSBAN
৩০শে নভেম্বর ২০২২ | ১৫ই অগ্রহায়ণ ১৪২৯ | পরীক্ষামূলক প্রকাশনা

ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সাহায্যে ৩২০০ কোটি টাকার প্রণোদনা ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

Pinterest LinkedIn Tumblr +
Advertisement

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধ করতে দেশের চলমান লকডাউনের মধ্যে নিম্নআয়ের যেসব মানুষ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন, তাদের সাহায্যে ৩ হাজার ২শ’ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) পাঁচটি প্যাকেজের আওতায় এ আর্থিক প্যাকেজের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এ তথ্য সংবাদমাধ্যমকে জানান।

প্যাকেজগুলো হলো –

১। নিম্নআয়ের মানুষ অর্থাৎ দিনমজুর, পরিবহন শ্রমিক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং নৌপরিবহন শ্রমিকদের জন্য জনপ্রতি নগদ আড়াই হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তার জন্য ৪৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

২। শহর এলাকার নিম্নআয়ের জনসাধারণের সাহায্যের লক্ষ্যে আগামী ২৫ জুলাই থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত মোট ১৪ দিন ৮শ’ ১৩টি কেন্দ্রে বিশেষ ওএমএস কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বরাদ্দ হয়েছে ১শ’ ৫০ কোটি টাকা।

৩। ৩৩৩ নম্বরে জনসাধারণের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে খাদ্য সহায়তা দেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১শ’ কোটি টাকা।

৪। গ্রামীণ এলাকার কর্মসৃজনমূলক কার্যক্রমে অর্থায়নের জন্য পল্লী সংস্থান ব্যাংক ও পিকেএসএফ-এর মাধ্যমে ঋণ সহায়তা দিতে (৪ শতাংশ সুদে) আগের বরাদ্দকৃত ৩ হাজার ২শ’ কোটি টাকার অতিরিক্ত বরাদ্দ করা হয়েছে এক হাজার ৫শ’ কোটি টাকা।

৫। পর্যটনখাতের হোটেল-মোটেল, থিম পার্কের জন্য কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধের লক্ষ্যে ব্যাংকের মাধ্যমে ৪ শতাংশ সুদে ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল ঋণ সহায়তা দিতে এক হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, সারাদেশে করোনা মহামারি ভয়াবহ আকার ধারণ করায় এবং করোনায় মৃত্যু ও আক্রান্তের হার রেকর্ডসংখ্যক বেড়ে যাওয়ায় গত ১ জুলাই সকাল ৬টা থেকে শুরু হয় সাত দিনের কঠোর বিধিনিষেধ (লকডাউন)। যা ৭ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত জারি করা থাকলেও পরবর্তীতে করোনা পরিস্থিতির ভয়াবহতা দেখে বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও ৭ দিন অর্থাৎ ১৪ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত বাড়ানো হয়।

দেশে আগামী ২১ জুলাই পালন করা হবে পবিত্র ঈদুল আযহা। সে উপলক্ষ্যে আগামী ১৫ জুলাই বৃহস্পতিবার থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত লকডাউন শিথিল করা হয়েছে। কিন্তু, ঈদের পরপরই ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত আবারও কঠোর বিধিনিষেধ (লকডাউন) চলমান থাকবে। সেই বিধিনিষেধের সময় বন্ধ থাকবে সব গণপরিবহন, শপিংমল, সরকারি-বেসরকারি অফিসের পাশাপাশি শিল্প কলকারখানাও।

Advertisement
Share.

Leave A Reply