fbpx

গাজায় ঢুকবে না খাবার-পানি,পশ্চিম তীর সম্পূর্ণ বন্ধ

Pinterest LinkedIn Tumblr +
Advertisement

প্রায় ২৮ লাখ ফিলিস্তিনি অধিকৃত পশ্চিম তীর সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছে ইসরায়েল। এতে সেখানে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

বাসিন্দারা বলছেন, শহর ও নগরগুলোর প্রবেশপথ লোহার গেট, সিমেন্ট ব্লক ও মাটির ঢিবি দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কিছু কিছু স্থানে নতুন করে তল্লাশি পয়েন্ট বসানো হয়েছে। জ্বালানি সরবরাহ ফুরিয়ে যাওয়ায় কিছু পেট্রোল স্টেশনে দিনভর দীর্ঘ লাইন ছিল।পশ্চিম তীরে রোববার সাধারণ ধর্মঘট হিসেবে দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ ছিল। হামাস শাসিত গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপের প্রতিক্রিয়ায় তারা এই ধর্মঘট পালন করে।

সন্ধ্যায় বিক্ষুব্ধ বিক্ষোভ দেখা যায়। গত রাতে রামাল্লার কালান্দিয়া চেকপয়েন্টে ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে চার ফিলিস্তিনি নিহত হন।

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইওয়াভ গ্যালান্ত গাজার ওপর সর্বাত্মক অবরোধ আরোপের নির্দেশ দিয়েছেন। গাজায় যাতে বাইরে থেকে থেকে কোনো খাবার, পানি ও জ্বালানি প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন।

বিবিসি জানায়, শনিবার গাজা থেকে ইসরায়েলে হামলা চালায় হামাস। নজিরবিহীন এই হামলার দুইদিনেরও বেশি সময় পর ইসরায়েল বলছে, গাজার সঙ্গে এর সীমান্ত এখনো সম্পূর্ণভাবে নিরাপদ নয়।

ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী স্বীকার করছে যে, কিছু ফিলিস্তিনি যোদ্ধা এখনও বড় পরিসরে রয়েছে কিংবা তাদের প্রবেশ চলমান থাকতে পারে।

এই সংঘাতে অন্তত সাতশ ইসরায়েলি ও পাঁচশ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ৯ নাগরিক ইসরায়েলে নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। অন্যদিকে ১০ জনের বেশি ব্রিটিশ নাগরিক মারা গেছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সোমবার দুপুরের দিকে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী গাজায় রকেট হামলা বাড়িয়ে দেয়। এর আগে ইসরায়েল জানিয়েছিল, রাতে হামাসের ৫০০ লক্ষ্যবস্তুতে দেশটি হামলা চালিয়েছে।

জাতিসংঘ বলছে, গাজা থেকে এক লাখ ২০ হাজারেরও বেশি নাগরিক ঘরছাড়া হয়েছেন। অনেকে স্কুলগুলোতে আশ্রয় খুঁজে বেড়াচ্ছেন।

Advertisement
Share.

Leave A Reply