fbpx

চলছে ধর্মঘট, পায়ে হেঁটেই গন্তব্যস্থলে যাচ্ছেন সাধারণ মানুষ

Pinterest LinkedIn Tumblr +

ডিজেল ও কেরোসিনের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে দেশে দ্বিতীয় দিনের মতো চলছে পরিবহন ধর্মঘট। সরকারি অফিস ছুটি থাকলেও বাস না পেয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েন বেসরকারি অফিসের চাকরিজীবী ও সাধারণ মানুষ। এছাড়া চাকরি পরীক্ষার্থীরদের মাঝেও ক্ষোভ দেখা যায়। আগামীকালও সাধারণ মানুষকে এই ভোগান্তি পোহাতে হবে।

শনিবার (৬ নভেম্বর) রাজধানীর মোহাম্মদপুর, মিরপুর, শাহবাগ, ধানমন্ডি, ফামর্গেট ও কারওয়ানবাজার এলাকা ঘুরে চরম দুর্ভোগের চিত্র দেখা গেছে। বেশিরভাগ মানুষ বাস না পেয়ে পায়ে হেঁটে গন্তব্যস্থলে যাচ্ছে। তবে বৃদ্ধ, নারী ও শিশুরা বেশি সমস্যায় পড়ছেন। পরিবহন না থাকায় তাদেরকে পায়ে হেঁটেই যেতে দেখা গেছে।

রাস্তায় বিআরটিসি বাস চলতে দেখা গেলেও তার পরিমাণ খুব কম। একটা বাস আসার পর আরেকটা বাস পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। অফিসগামীরা তাই বিকল্প পথ খুঁজে নিচ্ছেন। আর সাধারণ মানুষের অসহয়াত্বের সুযোগ নিয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশা, বাইক, বিকল্প পরিবহণ চালকরা ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছেন কয়েকগুণ। ফলে অনেকে বিকল্প উপায়ে গন্তব্যে যেতে চাইলেও বিড়ম্বনায় পড়ছেন যাত্রীরা।

শুক্রবারই পরিবহন শ্রমিকরা বলেছেন, বাড়তি মূল্যের সাথে ভাড়া সমন্বয় না করলে ধর্মঘট চলবে। আর রবিবার বৈঠকের আগ পর্যন্ত ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হবে না বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের মহাসচিব মনজুর আলম।

অন্যদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল জানান, রবিবার বিআরটিএ’র ভাড়া পুনঃনির্ধারণ কমিটির বৈঠক থেকে পরিবহণ ধর্মঘটের বিষয়ে শান্তিপূর্ণ সমাধান আসতে পারে। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারের সাখে সামঞ্জস্য রেখেই ডিজেল আর কেরোসিনের দাম বাড়ানো হয়েছে।

তবে পরিবহন মালিকদের ক্ষোভ অন্য জায়গায়। তারা বলছেন, কোনো আলোচনা ছাড়াই জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই মূল্য বৃদ্ধিতে ভাড়া সমন্বয়ের দাবি বাস মালিক-শ্রমিকদের। আর জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ট্রাক-কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির নেতারা।

উল্লেখ্য,আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় কবুধবার রাতে প্রতি লিটার ডিজেল ও কেরোসিনের মূল্য ৬৫ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ৮০ টাকা করা হয়। এর প্রতিবাদে শুক্রবার সকাল থেকে রবিবার পর্যন্ত ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও লরিচালক-মালিকেরা গাড়ি চলাচল বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন। তাদের সঙ্গে যোগ  দেন বাসচালক-মালিকেরা।

Share.

Leave A Reply