fbpx

চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর পরামর্শ মেডিকেল বোর্ডের

Pinterest LinkedIn Tumblr +

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য আজ এক মেডিকেল বোর্ড বসেছে। সেখানে বেগম জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে বিদেশে নেওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছেন চিকিৎসকরা।

এর আগে, গতকাল সোমবার দিবাগত রাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের সাথে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দলটির একটি সূত্র বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

দলটির এ সূত্র জানায়, বেগম জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে বিদেশে নেওয়ার বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে আবেদন করা হয়েছে। তবে, দলের সিনিয়র নেতারা এ বিষয়ে এখনো কিছু জানাননি।

এদিকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্ম সচিব জানান, খালেদা জিয়ার দল বা পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁকে বিদেশে নেওয়ার বিষয়ে কোনো আবেদন করা হয়নি।

গতকাল সোমবার ভোর থেকে শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ার কারণে বেগম জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালের কেবিন থেকে সিসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। এখন পর্যন্ত সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন আছেন।

খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের একজন জানান, দল ও পরিবার চাইছে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ নিতে। মূলত তিনি চিকিৎসার জন্য নিয়মিত সিঙ্গাপুর ও লন্ডনেই যেতেন। এই চিকিৎসক আরও জানান, বেগম জিয়া দুই বছরের বেশি কারাগারে ছিলেন এবং এক বছরের বেশি অনেকটা বন্দি অবস্থায় নিজের বাসাতেই কাটিয়েছেন। আর এখন তিনি যেহেতু নানা রোগে আক্রান্ত, তাই একটা ভালো ও উন্নত চিকিৎসা তাঁর দরকার।

এখন এই অবস্থায় বেগম জিয়াকে কোন দেশে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হবে এ প্রসঙ্গে এই চিকিৎসক সংবাদমাধ্যমকে জানান, শুধুমাত্র চোখের চিকিৎসার জন্যই খালেদা জিয়া লন্ডনে যেতেন। আর নিয়মিত অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য তিনি সিঙ্গাপুরে যেতেন। তাই তাকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যেতে চাইছেন তারা।

বিএনপি চেয়ারপারসনের সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক দলের সদস্য ও বিএনপি নেতা এ জেড এম জাহিদ হোসেন সংবাদমাধ্যমকে জানান, বেগম জিয়ার বর্তমান অবস্থা স্থিতিশীল। তিনি এখন স্বাভাবিক শ্বাসপ্রশ্বাস নিতে পারছেন।

এদিকে, বেগম জিয়ার মুক্তির শর্তে নির্বাহী আদেশে বলা হয়েছে, তিনি বিদেশে ভ্রমণের জন্য বা চিকিৎসার জন্য যেতে পারবেন না। তবে, দেশের মধ্যে যে কোনো হাসপাতালে তিনি চিকিৎসা সেবা নিতে পারবেন।
Share.

Leave A Reply