fbpx

অনুমোদন পেল রুশ টিকা ‘স্পুটনিক-ভি’, প্রথম দফায় আসবে ৪০ লাখ

Pinterest LinkedIn Tumblr +

করোনাভাইরাস মহামারি পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণে আনতে রাশিয়ার ভ্যাকসিন ‘স্পুটনিক-ভি’ জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের গঠিত জরুরি জনস্বাস্থ্য ক্ষেত্রের ঔষধ, পরীক্ষামূলক ঔষধ, টিকা ও মেডিকেল সরঞ্জামবিষয়ক কমিটি। এ অনুমোদনের ভিত্তিতে আগামী মাসে প্রথম দফায় ৪০ লাখ টিকা পাওয়ার আশা রয়েছে বলে জানানো হয়।

আজ মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের এক সভায় টিকা অনুমোদনের এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান।

এই অনুমোদনের ফলে রাশিয়া থেকে করোনা টিকা আমদানি ও ব্যবহারে আইনগত আর কোনো বাধা থাকলো না। বাংলাদেশ টিকা কিনতে চাইলে আগামী মাস থেকেই রাশিয়া টিকা দিতে পারবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে সরকারি নথিপত্রে। এর প্রেক্ষিতেই আগামী মাস অর্থাৎ মে মাসেই ৪০ লাখ টিকা পাওয়ার আশা করা হচ্ছে।

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জানান, ‘স্পুটনিক-ভি’ ভ্যাকসিন ব্যবহারের অনুমোদনের পাশাপাশি চীনের সিনোফার্মের বিষয়েও কাজ করা হচ্ছে। তিনি জানান, দেশের জন্য যে ভ্যাকসিন প্রয়োজন, তা পাওয়ার জন্য বিভিন্ন উৎস থেকেই চেষ্টা করা হচ্ছে।

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ওষুধ, টিকা বা চিকিৎসাসামগ্রী অনুমোদনের ক্ষেত্রে প্রাধান্য দেয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) অনুমোদন প্রাপ্ত এবং যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ড -এই সাতটি দেশে ব্যবহারের অনুমোদনপ্রাপ্ত ওষুধ, টিকা বা চিকিৎসাসামগ্রীকে। কারণ, বৈজ্ঞানিকভাবে কার্যকর ও নিরাপদ বলেই এসব ওষুধ ও টিকা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা এই দেশগুলো অনুমোদন দেয়। তবে, রাশিয়ার ‘স্পুটনিক-ভি’ ভ্যাকসিনটির বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা এই দেশগুলোর অনুমোদন নেই বলে এর বিশেষ অনুমোদন দরকার ছিল।

রাশিয়ার ভ্যাকসিন ‘স্পুটনিক-ভি’ জরুরি ব্যবহারের অনুমোদনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে অনুমোদন পাওয়া টিকার সংখ্যা দাঁড়াল দু’টি। এর আগে, অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছিল ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

ভারতে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করায় সেখান থেকে বাংলাদেশে টিকা আসার বিষয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। দেশে প্রথম ডোজ টিকা দেওয়ার পর দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার অপেক্ষায় থাকা মানুষের মধ্যে ১৩ লাখ মানুষকে টিকা দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত মজুত সরকারের হাতে এখন নেই। তাই এর প্রভাব পড়েছে গণটিকাদান কর্মসূচিতে। এর প্রেক্ষিতে গতকাল সোমবার থেকে আপাতত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে প্রথম ডোজের টিকাদান।

Share.

Leave A Reply