fbpx

‘ডিসেম্বরের মধ্যে চকবাজার থেকে ৫০০ কারখানা স্থানান্তর’

Pinterest LinkedIn Tumblr +
Advertisement

আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে পুরান ঢাকা থেকে ৫০০টি গুদাম-কারখানা স্থানান্তর করার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

তিনি বলেন, ‘নদী অববাহিকার এই এলাকাটি হবে ট্যুরিস্ট স্পট। তা না, এই এলাকায় গুদাম, কারখানা দিয়ে ভরিয়ে ফেলা হয়েছে। আপনারা জানেন, ২০১৮ সাল থেকে এই এলাকায় নতুন ভবনের অনুমোদন দেওয়া বন্ধ রয়েছে।’

১৭ আগস্ট (বুধবার) সকালে চকবাজারে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত স্থান পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন মেয়র।

তাপস বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ এসব গুদাম-কারখানা চিহ্নিত করার জন্য আমাদের একটি কমিটি আছে সেই কমিটি প্রতিবেদন জমা দেবে। সে অনুযায়ী আমরা ব্যবস্থা নেব। প্রতিবেদন আমরা মন্ত্রণালয়ে জমা দেব। সেখানে নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমাদের সমন্বয়ের মাধ্যমে এই কাজ করা হবে।

ডিএসসিসি মেয়র আরও বলেন, এসব এলাকার কারখানা-গুদামে মানুষ ঝুঁকি নিয়ে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করছে। ফলে বারবার এমন দুর্ভাগ্যজনক দুর্ঘটনা ঘটছে। ঘনবসতিপূর্ণ এই এলাকায় এসব রাসায়নিক কারখানা, গুদাম, বিভিন্ন ধরনের ফ্যাক্টরির কারণে এই এলাকায় যানজট যেমন বেশি থাকে, তেমনি অত্যন্ত ঝুঁকির মধ্যে থাকে সবাই। এমন অবস্থা থেকেই বারবার অগ্নিকাণ্ডসহ বিভিন্ন দুর্ঘটনা ঘটে চলেছে। তাই সবশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শ্যামপুরে এসব রাসায়নিক গুদাম, কারখানগুলো স্থানান্তর করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। যে অনুযায়ী আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সেখানে অন্তত ৫০০ কারখানা, গুদাম স্থানান্তর করা হবে।

গত সোমবার (১৫ আগস্ট) দুপুর পৌনে ১২টায় চকবাজারের দেবীদাস ঘাট লেনে বরিশাল হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে আগুনের সূত্রপাত হয়। একই ভবনের ওপর তলায় পলিথিন ও প্লাস্টিক কারখানা থাকায় মুহূর্তেই তীব্র আকার ধারণ করে আগুন। প্রায় আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস। পরে ওই দিন বিকেলে আগুন লাগা ভবন থেকে একে একে ছয়জনের মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস।

Advertisement
Share.

Leave A Reply