fbpx

দক্ষিণী দর্শকের নয়নের তারা

Pinterest LinkedIn Tumblr +

অভিনেত্রী হবেন এমন ইচ্ছে ছিল না। মডেলিংয়েই ক্যারিয়ার গড়তে চেয়েছিলেন। কিন্তু এখন তামিল ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিক নেয়া অভিনেত্রী তিনি। বলছি ডায়ানা মরিয়ম কুরিয়ানের কথা। যদিও দর্শক তাকে চেনেন নয়নতারা নামেই।

নির্মাতা সত্যম আন্তিকর তাঁর মালয়ালম ছবি ‘মানসিনাক্কার’র জন্য যখন নয়নতারাকে প্রস্তাব দেন, তখন নয়নতারার শর্ত ছিল এটিই হবে তার প্রথম এবং শেষ ছবি। কিন্তু সাফল্যের সঙ্গে টানা ১০০ দিন সিনেমাটা ভারতের বিভিন্ন হলে চলার পর নিজের শর্তের ঘরে আর আটকে থাকতে পারলেন না এই অভিনেত্রী।

দক্ষিণী দর্শকের নয়নের তারা

দ্যুতিময় নয়নতারা। ছবি: সংগৃহীত

বর্তমানে মালায়ালাম আকাশ অতিক্রম করে তামিল, তেলেগু সিনেমায় সদর্পে অভিনয় করে যাচ্ছেন তিনি।

তবে ডায়ানা থেকে নয়নতারা হয়ে ওঠা খুব সহজ ছিলো না তার জন্য। কিন্তু তিনি এতটাই পরিশ্রমী ছিলেন যে, তিনি হয়ে উঠেছেন আজকের দক্ষিণী সিনেমার দর্শকের নয়নের তারা।

ভোগ ম্যাগাজিনের এক সাক্ষাৎকারে এই অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি সব সময় ব্যস্ত থাকি এবং শুটিং করি। আমি একজন কাজপাগল মানুষ। আমি সবসময় ভয়ে ভয়ে থাকি কারণ আমি ভালো কাজ উপহার দিতে চাই। এছাড়াও, আমি সাফল্যের ব্যাপারটা মাথায় রাখি না। আর, আমি খুব ব্যক্তিগত মানুষ।’

তাই তো নিজের ব্যক্তিগত বিষয় অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করতেও পছন্দ করেন না নয়নতারা। ১০ বছরের ক্যারিয়ারে তিনি একবার মাত্র সাক্ষাৎকার দিয়েছেন ভোগকে। তিনি ঐ সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমি চাই না যে আমি কী ভাবছি তা বিশ্ব জানতে পারুক। অনেক সময়, আমার কথার ভুল ব্যাখ্যা এবং ভুল উদ্ধৃতি তুলে ধরা হয়। এটি নিয়ন্ত্রণ করা আমার পক্ষে খুব বেশি অসম্ভব ছিল। আমার কাজ হলো অভিনয় করা এবং আমার ছবি সব কথা বলে।’

তবে নেট ঘেটে এই অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত তথ্য যা পাওয়া যায় তা হচ্ছে, তার জন্ম কেরালায়। বাবা কুরিয়ান কোদিয়াত্তু এবং মা অমানা কুরিয়ান। কলজে উঠে তিনি মডেলিং শুরু করেন।

দক্ষিণী দর্শকের নয়নের তারা

যেন স্নিগ্ধতার প্রতীক তিনি। ছবি: সংগৃহীত

মুক্তির অপেক্ষায় আছে তার অভিনীত ‘দরবার’ ছবিটি। এতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন সুপারস্টার রজনীকান্ত। অভিনেতা বিজয়ের সঙ্গে জুটি হয়ে অভিনয় করেছেন ‘বিগিল’ ছবিটিতে। এটিও মুক্তির অপেক্ষায়।

নয়নতারা ২০০৫ সালে তামিল চলচ্চিত্র ‘অভ্য’ এবং ২০০৬ সালে ‘লক্সমি’ ছবি দিয়ে তেলুগু চলচ্চিত্রে পদার্পণ করেন এবং ছবি দুটিতে সাফল্য পান। পরে ব্যবসায়িক সাফল্য পান আরও কিছু ছবিতে। ছবিগুলোতে তিনি চরিত্র প্রধান হিসেবে অবদান রাখেন, যেগুলো তাঁকে দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রের শ্রেষ্ঠ আসনে বসতে সাহায্য করেছে।

Share.

Leave A Reply