fbpx

তৃতীয় দফায় আরও ৫ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী ভাসানচর যাচ্ছেন

Pinterest LinkedIn Tumblr +
Advertisement

তৃতীয় দফায় আরও ৫ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী ভাসানচরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন। দ্বিতীয় দফায় ভাসানচরে যাওয়ার এক মাসের মাথায় বৃহস্পতি ও শুক্রবার (২৮ ও ২৯ জানুয়ারি) চার ভাগে তাদের নিয়ে ক্যাম্প ছাড়ার প্রস্তুতি নিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। প্রথমভাগে বৃহস্পতিবার দুপুরে ক্যাম্প ছেড়েছেন কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফে মানবিক আশ্রয়ে থাকা রোহিঙ্গাদের একটি দল। টেকনাফ প্রতিনিধি সূত্রে এ খবর জানা যায়।

বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) বেলা ১২টার দিকে প্রথম ১৮টি বাস ভর্তি রোহিঙ্গা ট্রানজিট পয়েন্ট অতিক্রম করে। পরে বিকালে আরও ডজনখানিক বাস রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়ে চট্টগ্রামের পথে বের হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগের মতো উখিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠ এলাকা থেকে দিনে দুভাগে ভাগ করে বাসগুলো চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়ার প্রস্তুতি রেখেছেন সংশ্লিষ্টরা। উখিয়ার মূল ক্যাম্প ছাড়াও পুরো ৩৪ ক্যাম্প থেকেই ভাসানচরে যেতে ইচ্ছুক রোহিঙ্গারা ট্রানজিট পয়েন্টে বুধবার বিকাল থেকেই আসতে শুরু করে। বাকিরা বৃহস্পতিবার সকাল ও দুপুরে এসে পৌঁছান। শুক্রবার যারা ভাসানচরের পথে বের হবে তারা বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ও শুক্রবার সকাল-দুপুরে ট্রানজিট পয়েন্ট আসবে বলে জানিয়েছেন রোহিঙ্গা নেতারা। দুদিনের যাত্রায় প্রায় ৮০টি বাস, একাধিক ট্রাক ও প্রয়োজনীয় অন্য যানবাহন প্রস্তুত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে উখিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠ থেকে ছেড়ে যাওয়া বাসে ৩০জন করে রোহিঙ্গা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের অভিমত। এসব গাড়ি বহরের আগে ও পেছনে পুলিশের গাড়ি এবং একটি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এবারেও স্বেচ্ছায় যেতে রাজি হওয়া কমপক্ষে ৫ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থীকে ভাসানচরে পৌঁছে দেওয়া হবে। বুধবার বিকেল থেকে উখিয়া-টেকনাফের ৩৪টি ক্যাম্প থেকে রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে নিয়ে যেতে উখিয়া কলেজ মাঠে অস্থায়ী ট্রানজিট পয়েন্টে রাখা হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ‘দু’দফায় ভাসানচরে যাওয়াদের জীবনচিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখে এখন অনেকে আগ্রহী হয়ে অপেক্ষা করছেন। তবে প্রথম যাত্রার আগে অনেক বুঝিয়েও তাদের জড়ো করা কষ্টকর ছিল। এখন চিত্র পাল্টেছে। এখন রোহিঙ্গারা ভাসানচরে যেতে নিজেরাই তালিকায় নাম লিখিয়েছে। ভাসানচরে ৪ ও ২৮ ডিসেম্বর যাদের আত্মীয়-স্বজন গেছেন, তাদের কাছে সুযোগ-সুবিধার খবর শুনেই অনেকেই যেখানে যেতে রাজি।’

এর আগে গত ৪ ডিসেম্বর প্রথম দফায় এক হাজার ৬৪২ আর দ্বিতীয় দফায় ৪২৮টি পরিবারের এক হাজার ৮০৫ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে স্থানান্তর করা হয়েছে। দুই দফায় স্থানান্তরিত রোহিঙ্গার সংখ্যা এখন ৩ হাজার ৪৪৭। তারও আগে মালয়েশিয়া যেতে গিয়ে সমুদ্র উপকূলে আটক আরও তিন শতাধিক রোহিঙ্গাকে সেখানে নিয়ে রাখা হয়।

Advertisement
Share.

Leave A Reply