fbpx

দাবি না মানলে ৩১ আগস্ট প্রতীকী ধর্মঘট পালনের হুমকি জ্বালানি ব্যবসায়ীদের

Pinterest LinkedIn Tumblr +
Advertisement

জ্বালানি তেল বিক্রির কমিশন ৭ শতাংশ বাড়ানো, তেলের কারচুপি রোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনাসহ পাঁচ দফা দাবিতে ধর্মঘটের হুমকি দিয়েছে বাংলাদেশ ডিলারস, ডিস্ট্রিবিউটরস, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোলপাম্প ওনার্স  অ্যাসোসিয়েশন।

বুধবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলন করে সংগঠনের পক্ষ থেকে এ হুমকি দেওয়া হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ নাজমুল হক।

সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, সাত দিনের মধ্যে তাদের দাবিগুলো না মানলে তারা ৩১ আগস্ট ভোর থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত প্রতীকী ধর্মঘট কর্মসূচি পালন করবে। তারপরও দাবি আদায় না হলে তারা লাগাতার ধর্মঘটের কর্মসূচিতে যাবে।

নাজমুল হক বলেন, তারা চাইলে দেশে অচলাবস্থা তৈরি করতে পারেন, কিন্তু তারা তা করেননি। এখন তারা ধর্মঘটের মতো কর্মসূচি দিচ্ছেন। কারণ, তাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে।

তিনি বলেন, ২০১৩ সালে অকটেন ও পেট্রল বিক্রি করে তারা ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ কমিশন পেতেন। আর ডিজেল থেকে পেতেন ৩ দশমিক ২২ শতাংশ কমিশন। এখন এ কমিশন প্রায় ১ শতাংশ করে কমেছে। কমিশনের হার ৭ শতাংশ করার দাবি জানান তিনি।

পাঁচ দফা দাবিগুলোর মধ্যে অন্য দাবিগুলো হলো- অভিযানের সময় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) বা বিপণন কোম্পানির প্রতিনিধি রাখা; সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরে ইজারা মাশুল যৌক্তিক হারে নির্ধারণ করা; রাস্তায় জ্বালানি পরিবহনের সময় ট্যাংক-লরির কাগজপত্র পরীক্ষার নামে পুলিশি হয়রানি বন্ধ করা।

সংবাদ সম্মেলনে তেলের মাপে কারচুপি প্রসঙ্গে নাজমুল বলেন, তারা তেল পরিমাপে কারচুপি রোধ অভিযানের বিরোধী নন। এ ব্যাপারে তারা সরকারকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।

তবে যেসব পেট্রলপাম্পে পরিমাপে কোনো হেরফের পাওয়া যায় না, সেখানেও নানা অজুহাতে হয়রানি-জরিমানা করা হয়। তেল বিক্রির কমিশন কম হওয়ার কারণে কেউ কেউ মাপে কারচুপি করতে পারেন বলে মনে করেন নাজমুল হক। এ ব্যাপারে সংগঠনের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, কাউকে শাস্তি দেওয়ার কোনো ক্ষমতা তাদের নেই।

সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরে ইজারা মাশুল সম্পর্কে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, প্রায় প্রতিটি পাম্পের সামনে থেকে মূল রাস্তা পর্যন্ত সংযোগ সড়ক সওজ অধিদপ্তরের কাছ থেকে ইজারা নিতে হয়। গত মার্চে ইজারার হার পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন হারে ইজারার টাকা অনেক বেড়ে গেছে।

সংবাদ সম্মেলনে পাম্প পরিচালনার জন্য লাইসেন্স–প্রক্রিয়ার সমালোচনা করে বলা হয়, আগে ডিলারশিপ লাইসেন্স, বিস্ফোরক লাইসেন্স ও ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে পাম্প পরিচালনা করা যেত। এখন এই তিনটি লাইসেন্সের সঙ্গে পরিবেশ, ফায়ার ও লেবার লাইসেন্স নেওয়ার নিয়ম করা হয়েছে। এসব লাইসেন্স পাওয়া ও নবায়নে ঘুষ দিতে হয় বলে অভিযোগ সংগঠনটির।

Advertisement
Share.

Leave A Reply