fbpx

ধর্ষণের শিকার ভুক্তভোগীর পরিচয় প্রকাশ বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশ

Pinterest LinkedIn Tumblr +

যৌন নির্যাতন ও ধর্ষণের শিকার ভুক্তভোগীর ছবি, নাম, পরিচয়, ঠিকানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্রসহ অনান্য পরিচয় গণমাধ্যমে প্রচার-প্রকাশ বন্ধে অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

৮ মার্চ সোমবার এক রিটের শুনানি নিয়ে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চ্যুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুর পরিচয় প্রকাশে বিধিনিষেধ সংক্রান্ত আইনের ১৪ ধারার বিধান বাস্তবায়নে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে ৩০ দিনের মধ্যে এর হলফনামা প্রতিবেদন আদালতে দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। তথ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল ও বিটিআরসির চেয়ারম্যানের প্রতি এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১৪ ধারায় সংবাদমাধ্যমে নির্যাতিত নারী ও শিশুর পরিচয় প্রকাশের ব্যাপারে বিধিনিষেধের উল্লেখ আছে। এ বিধান বাস্তবায়নে নিষ্ক্রিয়তা চ্যালেঞ্জ করে জাস্টিস ওয়াচ ফাউন্ডেশনের পক্ষে সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মাহফুজুর রহমান চলতি বছরের জানুয়ারিতে ওই রিট করেন, যার ওপর শুনানি হয়।

রিটের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন আইনজীবী মাহফুজুর রহমান। আর রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সমরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১৪(১) ধারা বলছে, আইনে বর্ণিত অপরাধের শিকার হয়েছেন এমন নারী বা শিশুর ব্যাপারে সংঘটিত অপরাধ বা তত্সম্পর্কিত আইনগত কার্যধারার সংবাদ বা তথ্য বা নাম-ঠিকানা বা অন্যবিধ তথ্য কোনো সংবাদপত্রে বা অন্য কোনো সংবাদমাধ্যমে এমনভাবে প্রকাশ বা পরিবেশন করা যাবে, যাতে ওই নারী বা শিশুর পরিচয় প্রকাশ না পায়। আর উপধারা (১)–এর বিধান লঙ্ঘন করলে ওই লঙ্ঘনের জন্য দায়ী ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের প্রত্যেকে অনধিক দুই বছর কারাদণ্ডে বা অনূর্ধ্ব এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

আগামী ৩ মে এ বিষয়ে শুনানির পরবর্তী তারিখ রেখেছে আদালত।

Share.

Leave A Reply