fbpx
BBS_AD_BBSBAN
৩০শে নভেম্বর ২০২২ | ১৫ই অগ্রহায়ণ ১৪২৯ | পরীক্ষামূলক প্রকাশনা

‘নতুন উদ্যোগ শুরুর জন্য ২০২১ শ্রেষ্ঠ বছর’

Pinterest LinkedIn Tumblr +
Advertisement

২০২০ সালে বিশ্বব্যাপী অর্থনীতির রদবদল ঘটেছে। করোনার কারণে অনেক কোম্পানি দেউলিয়া হয়ে তাদের কার্যক্রম বন্ধ করেছে। আবার চাকরি হারিয়েছেন লাখ লাখ তরুণ কর্মী। কর্মসংস্থানের অভাবে পথে বসেছে অনেকে। বিশ সাল তাই অনেকেরই কেটেছে বিষের মতো।

তবে এই হতাশার মাঝে আলো দেখিয়েছে উদ্যোক্তারা। বেশিরভাগ মানুষ চাকরির বদলে নিজের ব্যবসা গড়ে তুলেছে। তাই ২০২১ সালে মানুষ নতুনভাবে জীবনকে সাজিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাবার স্বপ্ন দেখছে।

২০২১ সালকে তাই নতুন ব্যবসা শুরুর শ্রেষ্ঠ বছর বলে মনে করছে করছে, উদ্যোক্তাদের জন্য তৈরি ওয়েবসাইট এন্টারপ্রেনিওর। তারা ব্যাখা করেছে তিন কারণে একুশ সাল নতুন উদ্যোগ শুরুর জন্য একটি অসাধারণ বছর হতে পারে।

১। মানুষের অনলাইনকেন্দ্রিক নির্ভরতা

ইতিহাস বলছে, যখনই বিশ্বে কোনো মহামারী এসেছে, তখনই বিশ্বের নামী দামী কোম্পানির যাত্রা শুরু হয়েছে। যেমন- ১৯৭৩ থেকে ৭৫ সালে বিশ্বে যখন জ্বালানি তেলের মন্দা তৈরি হয়েছে, তখনই মাইক্রোফটের জন্ম হয়েছিল। গুটি গুটি পায়ে সেই এগিয়ে চলা কোম্পানিটি এখন বিশ্বের অন্য সব কোম্পানিকে টেক্কা দিয়ে নিজের স্থান আরও দৃঢ় করে তুলছে। ঠিক তেমনি ২০০৭ থেকে ২০০৯ সালের মন্দায় উবার, এয়ার বিএনবি—এগুলো তৈরি হয়েছিল। যা এখন সুপ্রতিষ্ঠিত।

২০২০ সাল মানুষের জন্য ঠিক এমনই এক মহামারীর বছর। এর কারণে মানুষ ঘরের বাইরে যেতে পারে নি। ঘরবন্দি অবস্থায় তার একমাত্র ভরসা ছিল অনলাইন। তাই অনলাইনভিত্তিক কেনাকাটাও বেড়েছে ব্যাপকহারে।

এরই মাঝে করোনায় বিশ্বজুড়ে ই–কমার্স ৪০ শতাংশ বেড়েছে। তাই বাজার কোথায় আছে, এটা আপনি জানেন। আর ক্রেতা কেমন, সেটাও জানা। এখন খুঁজে বের করতে হবে, তাদের ঠিক কী পণ্য বা সেবা দরকার হবে। ব্যাস, শুধু এই গবেষণা করে বের করলেই আগামীর সফল ব্যবসা দাঁড় করানো সম্ভব হবে।

২. গৃহমুখী হওয়ার সুবিধা

কর্মের যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে আমাদের জীবন যখন যন্ত্রের মতো হয়ে গিয়েছিল, ঠিক তখন করোনা নামের অভিশাপ আসে। তবে এটি অনেকটা শাপে বরের মতো। করোনার কারণে অনেক মানুষই বাসায় বসে অফিস করেছেন। ফলে দীর্ঘদিন পর তারা বাসায় পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ পেয়েছেন। আর এই সময়টাতেই মানুষ ঘরে বসে নতুন বিষয়ে কাজের চেষ্টা করেছেন। এভাবে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মধ্যে এক মধুর সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। তারা একে অন্যকে প্রভাবিতও করেছেন। একজন থেকে আরেকজন থেকে পৌঁছানো যায় অনায়াসেই—এই রকম সুবিধা সম্ভবত আগে কখনো আসেনি।

৩. দক্ষ কর্মী পাওয়ার সুযোগ 

করোনায় অনেক দক্ষ কর্মীও চাকরি হারিয়েছেন। ফলে এক রকম জেদের বসেই নিজের ব্যবসা শুরু করেছেন অনেকেই। তবে যারা ব্যবসা শুরু করেননি, তারা তাদের অভিজ্ঞতার ঝুড়ি নিয়ে পসরা সাজিয়ে আছেন। তারা অনেকেই তাদের অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে নতুনদের পরামর্শ দিচ্ছেন। ফলে তাদের পেছনে নতুন উদ্যোক্তাদের কম খরচ করতে হচ্ছে। সহজেই তারা কর্মী পাচ্ছেন তাদের কাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন পূরণের জন্য।

এই সময়ে এখন যদি সত্যি আপনি নিজের ব্যবসা শুরু করতে চান, তাহলে আসলে নিজেকে প্রশ্ন করুন- আপনার কী দরকার? আপনার পণ্য বা সেবাটি মানুষের প্রয়োজন আছে নাকি? অথবা আপনার পরিকল্পনায় কি কি ত্রুটি রয়েছে? ব্যস! এবার এগিয়ে যাওয়া পালা।

Advertisement
Share.

Leave A Reply