fbpx

নতুন নিয়মে ট্রেনের টিকিট বিক্রি উদ্বোধন

Pinterest LinkedIn Tumblr +
Advertisement

রেল সেবা নিতে এখন থেকে লাগবে জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন সনদ দিয়ে নিবন্ধন। আজ বুধবার (১ মার্চ) রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে টিকিট বিক্রির নতুন এ পদ্ধতি উদ্বোধন করেছেন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন।

অনুষ্ঠানে আন্তঃনগর ট্রেনে টিকিটবিহীন যাত্রীদের টিকিট কাটার জন্য ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষকদের হাতে পস মেশিন তুলে দেন মন্ত্রী। আশা প্রকাশ করে তিনি জানান, নতুন নিয়মে টিকিট কালোবাজারি বন্ধ হবে।

নুরুল ইসলাম সুজন এ সময় বলেন, যাত্রীরা যাতে আরো বেশি সুযোগ-সুবিধা পেতে পারে এবং কোনো প্রকার কালোবাজারি ছাড়াই নিজের টিকিট নিজে কাটতে পারে সেটি করার জন্যই আমরা টিকেটে জাতীয় পরিচয়পত্র সংযোজন করেছি।

তিনি বলেন, এটিই শেষ নয়, যাত্রীসহ সকলের মতামত নিয়ে প্রয়োজনে আমরা আরো সংস্কার করব।

‘আমরা অনলাইনে ৫০ শতাংশ ও কাউন্টারে ৫০ শতাংশ টিকিট বিক্রি করে থাকি’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, মূল বিষয় হচ্ছে জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া এবং রেজিস্ট্রেশন ছাড়া টিকিট ক্রয় করা যাবে না এবং কেউ ভ্রমণ করতে পারবে না। এখন শুধুমাত্র আন্তঃনগর ট্রেনে এ ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে, পর্যায়ক্রমে লোকাল ট্রেনেও কার্যকর করা হবে।

মন্ত্রী এ সময় আরো উল্লেখ করেন, এখন থেকে অন্যের টিকিটে ভ্রমণ করলে বিনা টিকিটের যাত্রী হিসেবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এছাড়া টিটিইদের কাছে পস মেশিন সরবরাহ করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে তারা বিনা টিকিটের যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করবে এবং এ টাকা সরাসরি সরকারি কোষাগারে জমা হবে। টিটিইদের বিরুদ্ধে এতদিন যে অভিযোগ ছিল টাকা সরকারি খাতে জমা না দেওয়ার সেটাও এর মাধ্যমে বন্ধ হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, আজ আমরা একসঙ্গে ১০০ পস মেশিন হস্তান্তর করছি এবং যারা এগুলো চালাবেন তাদের ট্রেনিংয়ের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। এছাড়া আরো একটি সুবিধা আজ থেকে কার্যকর হচ্ছে। অনলাইনে টিকিট বাতিলের জন্য আর কাউন্টারে যেতে হবে না। আজ থেকে অনলাইনেই টিকিট বাতিল করা যাবে।

এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে নুরুল ইসলাম সুজন জানান, এনআইডির তথ্য পাচারের কোনো সুযোগ নেই কারণ আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চুক্তি করেছি। যতটুকু দরকার ততটুকু তথ্যই আমরা নেব এবং মূল সার্ভারের সঙ্গে তথ্যগুলো যুক্ত থাকবে।

পরে মন্ত্রী ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনে যাত্রীদের সঙ্গে এ বিষয়ে মতবিনিময় করেন।

এ পরিদর্শনের সময় বাংলাদেশ রেল‌ওয়ের মহাপরিচালক মো. কামরুল আহসান, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) সরদার শাহাদাত আলীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Advertisement
Share.

Leave A Reply