fbpx

নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ শীর্ষে: প্রধানমন্ত্রী

Pinterest LinkedIn Tumblr +
Advertisement

নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ শীর্ষে অবস্থান করছে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

৮ মার্চ (মঙ্গলবার) আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে দুবাই এক্সপোতে আয়োজিত ‘রিডিফাইনিং দ্যা ফিউচার ফর উইমেন’ শীর্ষক আলোচনায় দেয়া বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। দুবাই এক্সিবিশন সেন্টারের সাউথ হলে এ আয়োজন করে ইন্টারন্যাশনাল ওমেনস ডে ফোরাম: ব্রেক দ্য বিচ।

শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী, সংসদের স্পিকার, বিরোধীদলীয় নেতা, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী পর্যায়ে থেকে নারীরা নেতৃত্ব দিচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী  আরও বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে যে রাষ্ট্র গঠন করেছেন সেখানে নারীদের জন্য আলাদা সুযোগ ও আসন রেখেছিলেন। তিনি যেমন নারীদের এগিয়ে রেখেছিলেন, সেখান থেকেই নারীরা এখনও এগিয়ে। নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ শীর্ষে।

তিনি জানান, আমাদের একটা ব্যাপার অনুধাবণ করতে হবে, নারীরা শুধুমাত্র নারী নন, নারীরা মা। তাই আপনি যদি মায়ের মমতা নিয়ে দেশ পরিচালনা করেন, তাহলে মানুষ আপনাকে অবশ্যই সমর্থন দেবে। আমি সেই সমর্থনটুকু পেয়েছি দেশবাসীর কাছ থেকে যা আমার শক্তি। মানুষ বুঝতে পেরেছে, আমি যদি থাকি তবে তারা অবশ্যই সুবিধা পাবে বলেও মন্তব্য করেন সরকার প্রধান।

রিডিফাইনিং দ্যা ফিউচার ফর উইমেন’ শীর্ষক আলোচনায় বাংলাদেশে নারীদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে নারীদের শিক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত উন্নত। গ্রাজুয়েশন পর্যন্ত বিনামূল্যে পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি তাদের চাকরির জন্য সব সুযোগ সুবিধা রয়েছে। সরকারি চাকরিতে নারীদের সরব অংশগ্রহণ রয়েছে। আমার পিতা সেই সুযোগ তৈরি করে দিয়েছেন। আমার পিতা আমার অনুপ্রেরণা। এখন নারীরা শুধু ঘরবন্দি না, পুলিশ, সেনাবাহিনী থেকে শুরু করে সরকারি-বেসরকারি চাকরিতে নারীদের সমান অংশগ্রহণ রয়েছে। নারীদের স্বাস্থ্য সেবা ও খাদ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আমাদের বিভিন্ন কার্যক্রম চালু রয়েছে। আমরা সব জায়গায় কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করেছি।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমার বাবা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ আমার পরিবারের সবাইকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি এবং আমার বোন প্রবাসে থাকায় ভাগ্যক্রমে সেদিন বেঁচে যায়। এরপর থেকে আমার পথচলা মসৃণ ছিল না। আমাকে বহুবার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। আমার ওপর গ্রেনেড হামলা, বোমা হামলার মতো ঘটনাও ঘটেছে। তবুও আমি থেমে থাকিনি।’

আন্তর্জাতিক পর্যায়ের এই আলোচনায় প্রগতিশীল নেতারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ভবিষ্যৎ নির্ধারণে সমন্বিত পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। সেই সঙ্গে নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি ও লিঙ্গ বৈষম্য মোকাবিলায় নীতিনির্ধারক ও বিশ্ব নেতারা কী ধরণের ভূমিকা রাখবে তার উপরেও গুরুত্বারোপ করা হয়।

নারীরা এখনও অদৃশ্য বাধার সম্মুখীন হচ্ছে উল্লেখ করে তাদের কর্মস্থল ও দৈনন্দিন জীবনে নানান বৈষম্য দূরীকরণে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে গ্রহণকৃত দূরদর্শী পদক্ষেপ নিয়ে কথা বলেন তিনি।

আলোচনা শেষে এক্সপো ২০২০ এর ইউএই প্যাভিলিয়ন ও সাস্টেইনেবিলিটি জোনে অবস্থিত বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

Advertisement
Share.

Leave A Reply