fbpx

নিখোঁজ সাবমেরিনে ফুরালো অক্সিজেন, ৫৩ নাবিককে উদ্ধারের আশা ক্ষীণ

Pinterest LinkedIn Tumblr +
নিখোঁজ ইন্দোনেশীয় সাবমেরিনের অক্সিজেন ফুরিয়ে আসার আশঙ্কা করছেন এর উদ্ধারকর্মীরা। এমনকি, ৫৩ নাবিককে জীবিত উদ্ধারে তেমন কোনো আশাও দেখছেন না তারা। 
গত ২১ এপ্রিল বালি দ্বীপের উত্তরে মহড়ার সময় নিখোঁজ সাবমেরিনটি তিন দিনেও উদ্ধার না হওয়ায় এর নাবিকদের জীবিত উদ্ধারের আশা এখন ক্ষীণ হয়ে এসেছে।

সাবমেরিনটি অক্ষত পাওয়া গেলেও শনিবার ভোরের মধ্যেই অক্সিজেন ফুরিয়ে যাওয়ার কথা ইন্দোনেশীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। ছবি: রয়টার্স

আজ শনিবার (২৪ এপ্রিল) ভোরে বালি উপকূল থেকে প্রায় ৬০ মাইল দূরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া কেআরআই নাংগালা-৪০২ নামের ওই সাবমেরিনটির সন্ধানে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিয়ে বালিতে নেমেছে মার্কিন নৌবাহিনীর একটি উড়োজাহাজ। সাবমেরিনটির অনুসন্ধানে এ পর্যন্ত কমপক্ষে ছয়টি যুদ্ধজাহাজ, একটি হেলিকপ্টার ও ৪০০ উদ্ধারকর্মী কাজ করছে। সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া পাঠিয়েছে তাদের জাহাজ। পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, এবং জার্মানিও উদ্ধারের কাজে সাহায্য করতে চেয়েছে।

ওই সাবমেরিনের খোঁজে ইন্দোনেশিয়ার সহযোগিতায় এগিয়ে এসেছে বেশ কয়েকটি দেশ। ছবি: রয়টার্স

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, সাবমেরিনটি সাগরের অনেক নিচে ডুবে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সে কারণে টি বিধ্বস্ত হয়ে যেতে পারে।

বার্তাসংস্থা রয়টার্সে বলা হয়েছে, সাবমেরিনটি অক্ষত পাওয়া গেলেও শনিবার ভোরের মধ্যেই অক্সিজেন ফুরিয়ে যাওয়ার কথা ইন্দোনেশীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। কর্মকর্তারা জানান, নিখোঁজ সাবমেরিনে থাকা নাবিকদের প্রায় ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত টিকে থাকার মতো পর্যাপ্ত অক্সিজেন আছে। যার সময়সীমা এরইমধ্যে পার হয়ে গেছে।

দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, বিমান থেকে চালানো অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সাবমেরিনটি পানির যেখানে ডুবে গেছে সেই জায়গার কাছে তেল ছড়িয়ে থাকতে।

ইন্দোনেশিয়ার নৌবাহিনীর মুখপাত্র জুলিয়াস উইদজোজোনো বলেছেন, ডিজেল-বিদ্যুৎ চালিত সাবমেরিনটি ৫০০ মিটার গভীর পর্যন্ত যেতে পারে। তবে, এর বেশি গভীরে গেলে তা ধ্বংস হয়ে যাবে। তিনি জানান, বালি সাগরের গভীরতা এক হাজার ৫০০ মিটার।

রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ইন্দোনেশিয়ার পাঁচটি সাবমেরিনের মধ্যে একটি কেআরআই নাংগালা-৪০২ সত্তর দশকের দিকে তৈরি করা হয়।

ইন্দোনেশিয়ার নৌবাহিনীর একজন মুখপাত্র জানান, দেশটিতে সাবমেরিন নিখোঁজের ঘটনা এই প্রথম ঘটলো। এর আগে, ২০১৭ সালে আর্জেন্টিনার সেনাবাহিনীর একটি সাবমেরিন ৪৪ জন নাবিকসহ নিখোঁজ হয়। যার ধ্বংসাবশেষ নিখোঁজের এক বছর পর পাওয়া যায়। ওই সাবমেরিনে বিস্ফোরণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন নৌবাহিনীর কর্মকর্তারা।

Share.

Leave A Reply