fbpx

নিষিদ্ধ সিনেমার গল্প

Pinterest LinkedIn Tumblr +
Advertisement

ক্যামেরা, লাইট, অ্যাকশন– রুপালী পর্দায় চোখ পেতে মানুষ কেবল বিনোদিতই হন না। সিনেমার তুলে ধরা শিল্প, সংস্কৃতি, ইতিহাস, রাজনীতি, প্রেম আর অনুভূতিতে নিজেকে করেন একাত্ম। তবে সব সিনেমাই মানুষ নিজের করতে পারে, তা কিন্তু নয়। দেশ, গোষ্ঠী বা ব্যক্তির অনুভূতিতে আঘাত করা অনেক ভাল নির্মানও নিষিদ্ধ করে দেয়া হয় দেশে দেশে। নিষিদ্ধের তালিকায় রয়েছে হলিউডের জুল্যান্ড, দ্যা হ্যাঙ্গার গেমস, দ্য দা ভিঞ্চিকোডসহ জনপ্রিয় এমন অনেক সিনেমা।

নিষিদ্ধ সিনেমার গল্প

সমকামীতাকে সমর্থণ করায় জুল্যান্ডার সিনেমাটি নিষিদ্ধ অনেক দেশে। ছবি: সংগৃহীত

হলিউডের বিখ্যাত পরিচালক বেন স্টিলার পরিচালিত অ্যাকশন ও কমেডি মুভি জুল্যান্ডার। ২০০১ সালে এই সিনেমা মুক্তি পাওয়ার পর অল্প দিনেই হিট হয়ে যায়। তবে সমকামীতাকে সমর্থণ করায় এ সিনেমা নিষিদ্ধ করে দেয়া হয় অনেক দেশে। একই সাথে এই সিনেমার গল্পে ছিল মালয়েশিয়া প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার বিষয়। এতেই চটে যায় মালয়েশিয়া। দেশটির ফিল্ম সেন্সর বোর্ড সিনেমাটি প্রদর্শনের উপযুক্ত নয় বলে ঘোষণা দেয়।

নিষিদ্ধ সিনেমার গল্প

ব্রোকব্যাক মাউন্টেইন ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল ২০০৫ সালে। ছবি: সংগৃহীত

সমান তালে নিন্দিত ও নন্দিত সিনেমা ব্রোকব্যাক মাউন্টেইন। আমেরিকান এই মুভিটি মুক্তি পেয়েছিল ২০০৫ সালে। এখানেও রয়েছে সমকামী এক জুটির বাধ ভাঙ্গা প্রেমের গল্প। অ্যাং লি পরিচালিত এই ছবি নিষিদ্ধ করা হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে। চীনেও এটি প্রদর্শনের অনুমোদন দেয়া হয়নি।

নিষিদ্ধ সিনেমার গল্প

দ্য দা ভিঞ্চি কোড

দ্য দা ভিঞ্চিকোড। ২০০৬ সালে মুক্তি পাওয়া অন্যতম ব্যবসা সফল সিনেমা ছিল এটি। মার্কিন ওপন্যাসিক ড্যান ব্রাউন্ড রচিত গল্প থেকে এটি নির্মান করেন রন হাওয়ার্ড। তবে এটি মুক্তি পাওয়ার পরই, নিষিদ্ধের দাবিতে বিক্ষোভে সোচ্চার হয়ে ওঠে বিশ্বের নানা প্রান্ত। কারণ এই চলচ্চিত্রে খ্রিস্টান ধর্ম ও ইতিহাস নিয়ে বিতর্কিত তথ্য ও কথোপকথন ছিল। যার তীব্র নিন্দা জানিয়েছিল রোমান ক্যাথলিক চার্চ। চীন, মিশর, ভারত, জর্দান, শ্রীলঙ্কাসহ অনেক দেশেই নিষিদ্ধ হয় সিনেমাটি।

নিষিদ্ধ সিনেমার গল্প

দ্যা হ্যাঙ্গার গেমস, চলচ্চিত্রে বাড়াবাড়ি রকমের সহিংসতা ও নির্মম হত্যার দৃশ্য নিয়ে সামালোচোনার ঝড় ওঠে। ছবি: সংগৃহীত

সুজান কোলিন্সের লেখা সবচেয়ে বেশি কাটতি, সিরিজ নোভেল দ্য হ্যাঙ্গার গেমস। বিজ্ঞান ও কল্পকাহিনীমূলক রোমাঞ্চকর এই গল্প থেকে ২০১২ সালে, চলচ্চিত্র তৈরি করেন গ্যারি রস। তবে এই চলচ্চিত্রে বাড়াবাড়ি রকমের সহিংসতা ও নির্মম হত্যার দৃশ্য নিয়ে সামালোচোনার ঝড় ওঠে। অনেকই মনে করেন এই সিনেমায় শিশুদের পড়াশুনা থেকে দূরা থাকার বার্তা দেয়া হয়েছে। আর এসব কারণেই ভিয়েতনামে এটি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

নিষিদ্ধ সিনেমার গল্প

উত্তর কোরিয়ায় নিষিদ্ধ সিনেমার তালিকায় রয়েছে দ্য ইন্টারভিউ।

২০১৪ সালে রাজনৈতিক ও কমেডি নির্ভর হলিউড মুভি দ্য ইন্টারভিউ। যৌথভাবে এটি পরিচালনা করেন রজেন ও ইভাব গোল্ডবার্গ। উত্তর কোরিয়ার দাবি, এই সিনেমায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনকে আপত্তিজনক ভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এই সিনেমাটি তৈরিতে হোয়াইট হাউজের হাত রয়েছে বলেও মনে করে পিংয়ংইয়ং। উত্তর কোরিয়ায় নিষিদ্ধ সিনেমার তালিকায় রয়েছে দ্য ইন্টারভিউ।

Advertisement
Share.

Leave A Reply