fbpx

পরীক্ষা দিতে এলেন মেয়ে, কিউআর কোড বলছে ছেলে!  

Pinterest LinkedIn Tumblr +

গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথমবর্ষের ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্রে গরমিল দেখা গেছে। পরীক্ষার প্রবেশপত্রে ওই মেয়ে শিক্ষার্থীর নাম ও ছবি ঠিক দেখালেও, কিউআর কোডে সকল তথ্য দেখাচ্ছে এক ছেলে পরীক্ষার্থীর।

এখানেই শেষ নয়, প্রবেশপত্রে কেন্দ্র হিসেবে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় উল্লেখ থাকলেও পাশে লেখা ছিল ঢাকা। আর এমন এক ভবনের নাম উল্লেখ ছিল যার অস্তিত্বই নেই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে।

রবিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দিতে এসে ওই পরীক্ষার্থী স্বেচ্ছাসেবীদের কাছে কেন্দ্রের তথ্য জানতে চাইলে বিষয়টি ধরা পড়ে। ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থীর নাম সোনিয়া আক্তার শিলা।

প্রবেশপত্রটি পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, ৫২০১০০ রোলধারী ওই শিক্ষার্থীর প্রবেশপত্রে নিউ একাডেমিক বিল্ডিং (৭ম তলা), কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কেন্দ্র লেখা রয়েছে। পরীক্ষার হল খুঁজে না পেয়ে তিনি স্বেচ্ছাসেবীদের বিষয়টি জানান। কিন্ত তারাও কেন্দ্রের সিট প্ল্যানে ওই রোল নম্বর খুঁজে পাননি।

এরপর তার প্রবেশপত্রে থাকা কিউআর কোড স্ক্যান করা হলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে সিট পড়েছে এমন এক শিক্ষার্থী অনিক আকন্দের তথ্য প্রদর্শিত হয়। আর প্রবেশপত্রে কেন্দ্র হিসেবে কুমিল্লা ল বিশ্ববিদ্যালয়ের নামের ইংরেজি বানানেও ভুল দেখা যায়।

পরে স্বেচ্ছাসেবীরা বিষয়টি বি-ইউনিটের আহ্বায়ক কমিটিকে জানালে ওই শিক্ষার্থীকে আলাদাভাবে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।

সোনিয়া আক্তার শিলা বলেন, এ রকম কেন হলো আমি জানি না। আমি ঢাকা থেকে এসেছি এবং প্রবেশপত্রটি দোকান থেকে প্রিন্ট করিয়েছি।

গুচ্ছ পদ্ধতির কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রের বি-ইউনিটের আহ্বায়ক ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করিম বলেন, ‘আমরা ওই শিক্ষার্থীকে কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে রিপোর্টেড করেছি। আপাতত তাকে আলাদাভাবে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দিয়েছি। তার খাতা আলাদা খামে কেন্দ্রের কাছে পাঠানো হবে। পরবর্তীতে তারা যে সিদ্ধান্ত দেয়, তাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বলে গণ্য হবে।‘

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব ও জবি রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান বলেন, ‘বিষয়টি আমরা জানি। লিখিত অভিযোগ পেলে আমরা সরাসরি ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।‘

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও গুচ্ছ পদ্ধতির কেন্দ্রীয় পরীক্ষা কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী এ বিষয়ে বলেন, ‘আমরা কেন্দ্রীয় কমিটিকে বিষয়টি জানিয়েছি। ওই শিক্ষার্থীর খাতা  আলাদাভাবে পাঠানো হবে। তারা সবকিছু দেখবে।‘

Share.

Leave A Reply