fbpx

পুলিশ কর্মকর্তা সোহেল রানার দেশে-বিদেশে সম্পদের পাহাড়

Pinterest LinkedIn Tumblr +

গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের দায়ে অভিযুক্ত আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের পৃষ্ঠপোষক বনানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল রানার নামে বেরিয়ে এসেছে নানা তথ্য। নামে–বেনামে ঢাকায় তার রয়েছে ১১টি ফ্ল্যাট, প্লট ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান।

এছাড়া পুলিশি তথ্য বলছে, পর্তুগাল, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন ও নেপালে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন তিনি।

এদিকে গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের দায়ে অভিযুক্ত সোহেল রানাকে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন (ডিএমপি) পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম।

ই-অরেঞ্জের বিরুদ্ধে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে অভিযুক্ত সোহেল রানার বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার পর তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়ে ভারতে গ্রেপ্তার হন। এরই মধ্যে তার বিপুল পরিমাণ অর্থসম্পদের তথ্য বেরিয়ে এসেছে। জানা গেছে, ঢাকার অভিজাত এলাকায় ৫টি ফ্ল্যাট, ৯ কোটি টাকা মূল্যের একটি বাণিজ্যিক ভবনে জায়গা (স্পেস), ২টি প্লট ও ৩টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এছাড়া আরও চারটি দেশে তার সম্পদ রয়েছে।

মামলা হবার পর  ঢাকার বনানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ সোহেল রানাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থাও নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এছাড়া পুলিশ সোহেল রানার অর্থসম্পদের খোঁজে অনুসন্ধান শুরু করেছে। সোহেল রানা বছর চারেক আগে পদোন্নতি পেয়ে পরিদর্শক হন। এর আগে তিনি দীর্ঘদিন গুলশান ও বাড্ডা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ছিলেন।

এছাড়া পুলিশ সূত্র আরও বলছে, তিনি বিভিন্ন দেশে লোক পাঠিয়েছেন এমন তথ্যও পাওয়া গেছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ তার দেশে-বিদেশে কিছু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও ফ্ল্যাটের তথ্য পেয়েছে। এখন আদালতের মাধ্যমে সোহেল রানার ব্যাংক হিসাবের তথ্য চাওয়া হবে।

তিনি মূলত তার চতুর্থ স্ত্রী নাজনীন নাহার ও বোন সোনিয়া মেহেজাবিনকে টাকা দিয়ে ই-অরেঞ্জ চালাতেন।

জানা যায়, থাইল্যান্ডের পাতায়ায় সুপারশপ, জমি ও ফ্ল্যাট, পর্তুগালের লিজবনে সুপারশপ, বার ও রেস্তোরাঁ, ফিলিপাইনের ম্যানিলায় বার এবং নেপালের কাঠমান্ডুতে বার ও ক্যাসিনো রয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্র থেকে তথ্য পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি স্থলপথে ভারত হয়ে নেপাল যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন।

সূত্র : প্রথম আলো

Share.

Leave A Reply