fbpx

ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেবে আয়ারল্যান্ড, স্পেন, নরওয়ে

Pinterest LinkedIn Tumblr +
Advertisement

ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে যাচ্ছে ইউরোপের তিন দেশ—নরওয়ে, স্পেন ও আয়ারল্যান্ড। দেশগুলোর প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, তাদের দেশ মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেবে। যা কার্যকর হবে আগামী ২৮ মে।

বুধবার (২২ মে) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার।

নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী জোনাস গর স্তোর আজ বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘যদি (ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে) স্বীকৃতি না দেওয়া হয় তবে মধ্যপ্রাচ্যে কখনোই শান্তি আসবে না।’

নরওয়ের ঘোষণার একটু পরই তার সাথে সহমত প্রকাশ করে ফিলিস্তিনতে স্বীকৃতি দেয়ার কথা জানিয়েছে আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী সিমন হ্যারিস। এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, তার দেশও শিগগির ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেবে।

তিনি বলেন, ‘আজ আয়ারল্যান্ড, নরওয়ে ও স্পেন ঘোষণা দিচ্ছে যে, আমরা ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিচ্ছি। এই দেশগুলো এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় জাতীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।’

এ সময় তিনি বলেন, ‘আমি আত্মবিশ্বাসী যে, অন্যান্য দেশগুলোও আমাদের পথ অনুসরণ করবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।’

স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজও বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, তার দেশের মন্ত্রিপরিষদ আগামী ২৮ মে ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেবে। গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরুর পর থেকেই সানচেজ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার ব্যাপারে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।

এদিকে, এই তিন দেশের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা যেন বজ্রাঘাত করেছে তেল আবিবে। ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েল কাতজ নরওয়ে, আয়ারল্যান্ড ও স্পেনের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে আয়ারল্যান্ড ও নরওয়ে থেকে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন।

ইসরায়েল কাতজ বলেছেন, ‘আয়ারল্যান্ড ও নরওয়ে আজ ফিলিস্তিনি এবং সমগ্র বিশ্বের কাছে একটি বার্তা পাঠাতে চায়। সেটি হলো—তাঁরা সন্ত্রাসবাদকে গুরুত্ব দেয়।’ তিনি আরও বলেন, ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে ইউরোপীয় দেশগুলির স্বীকৃতি চরমপন্থা ও অস্থিতিশীলতায় ইন্ধন দেবে এবং তাদের হামাসের হাতে পুতুল করে তুলবে।

Advertisement
Share.

Leave A Reply