fbpx

বাংলাদেশ-চীন ফ্লাইট বন্ধ থাকবে ডিসেম্বর পর্যন্ত

Pinterest LinkedIn Tumblr +

ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া ফ্লাইটগুলোর যাত্রীদের মধ্যে করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার ফলে আগামী চার সপ্তাহ এই কার্যক্রম পরিচালনাকারী এয়ারলাইন্সগুলোকে ফ্লাইট পরিচালনা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে চীনের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (সিএএসি)। বর্তমানে ঢাকা-গুয়াংঝু রুটে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স মাসে দু’টি ও চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্স মাসে একটি ফ্লাইট পরিচালনা করছে। তবে, আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যত বন্ধ হয়ে গেল বাংলাদেশের সাথে চীনের আকাশপথে সরাসরি যোগাযোগ।

জানা গেছে, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ও চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে ঢাকা থেকে যাত্রী নিয়ে গুয়াংজু নামার পর করোনা পরীক্ষা করা হলে এই দুই ফ্লাইটের যাত্রীদের মধ্যে ১১ জনের বেশি করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর পরপরই এই দু’টি এয়ারলাইন্স চার সপ্তাহের জন্য ফ্লাইট পরিচালনায় নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েছে। এ কারণে আগামী ২৩ অক্টোবর থেকে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের গুয়াংঝুগামী সব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি, একইসময় পর্যন্ত বন্ধ থাকবে চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটও।

তবে আরও জানা গেছে, ঢাকা থেকে যাওয়ার আগে প্রতিটি যাত্রীরই করোনা পরীক্ষা করে তার নেগেটিভ সনদ দেখানোর পরই যাত্রীদের বোর্ডিংয়ের অনুমতি দিয়েছিল এয়ারলাইন্স ও হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।
উল্লেখ্য, গত বছর জুনে চীনের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের জারি করা নির্দেশনা অনুযায়ী, চীনে অবতরণের পর কোনো ফ্লাইটের পাঁচজন যাত্রী যদি করোনা পজেটিভ হয়, তাহলে শাস্তি হিসেবে এক সপ্তাহের জন্য এবং শনাক্তের সংখ্যা যদি ১০ জন বা তার বেশি হয় তাহলে সেই এয়ারলাইন্সকে শাস্তি হিসেবে চার সপ্তাহ ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি দেয় না চীনা কর্তৃপক্ষ।

এছাড়া, এ ধরনের ঘটনা বারবার হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য ওই এয়ারলাইন্সটি ফ্লাইট বন্ধের ঝুঁকিতে পড়বে, এমন নির্দেশনাও জারি রয়েছে চীনা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে।

এ বিষয়ে ইউএস-বাংলার জনসংযোগ শাখার মহাব্যবস্থাপক মো. কামরুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে জানান, নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি যাত্রীকেই কোভিড-১৯ পরীক্ষার নেগেটিভ সনদ নিয়েই ঢাকা ছাড়তে হয়। তবে, এই পরীক্ষাটি এয়ারলাইন্স বা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ করে না। এজন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত হাসপাতাল রয়েছে। তাদের রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করেই এয়ারলাইন্সগুলো যাত্রীদের বোর্ডিং করে। এ অবস্থায় কোনো যাত্রী চায়না যাওয়ার পর করোনা পজেটিভ হলে ফ্লাইট নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়ে প্রত্যক্ষভাবে এয়ারলাইন্সগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

উল্লেখ্য, সারা বিশ্বে করোনা মহামারি ছড়িয়ে পড়ার পর বাংলাদেশের সাথে অন্যান্য সব দেশের ফ্লাইট চলাচল গত বছর টানা তিন মাস বন্ধ থাকে। এরপর পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় চীনের সাথে ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়। আবারও এ বছর করোনার দ্বিতীয় প্রবাহ শুরু হলে বন্ধ হয়ে যায় চীনের ফ্লাইট। পরে গত এপ্রিল থেকে আবারো চীনের সাথে সরাসরি ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়।

Share.

Leave A Reply