fbpx

বিদেশ থেকে মোবাইল আনতে যে বিষয়গুলো জানা জরুরি

Pinterest LinkedIn Tumblr +

প্রায়শই বিদেশ থেকে কেউ বাংলাদেশে এলে প্রিয়জনের জন্য অনেক জিনিসপত্র নিয়ে আসেন। কিন্ত নিয়ম না জানার কারণে অনেক জিনিসই আটকে দেয় বিমানবন্দরে। বিশেষ করে মোবাইল বা ল্যাপটপ আনার ক্ষেত্রে এই ঝামেলা বেশি পোহাতে হয় যাত্রীদের।

বাইরে থেকে এ ধরনের ইলেকট্রনিক্স পণ্য আনতে গেলে ‘প্যাসেঞ্জার ব্যাগেজ রুলস-২০১৬’ মানতে হবে। যে অনুযায়ী, আপনি যদি একাধিক ডিভাইস আনতে চান এবং সেক্ষেত্রে কতটি শুল্কমুক্ত হিসেবে আনতে হবে, সেটি জেনে নিতে পারেন।

মোবাইল ফোন

ব্যাগেজ রুলস অনুযায়ী, একজন যাত্রী নিজের ব্যবহৃতসহ সর্বমোট ২টি মোবাইল ফোন শুল্কমুক্ত হিসেবে আনতে পারবেন। এছাড়াও শুল্ক-করাদি পরিশোধ করে মোবাইল আনতে পারবেন সর্বোচ্চ ৮টি। সেক্ষেত্রে তাকে ফোনের ক্রয়মূল্যের ওপর প্রায় ৫৫ দশমিক ৬০ শতাংশ শুল্ক দিতে হবে। তবে ৮টির বেশি মোবাইল আনলে কাস্টমস তা আটক করবে।

আর মোবাইল আটক করা হলে যাত্রীকে সফটওয়্যার প্রিন্টেড আটক রশিদ দেওয়া হবে। আটক মোবাইলগুলো অ্যাডজুডিকেশন প্রক্রিয়ায় শুল্ক-করাদি এবং অর্থদণ্ড পরিশোধ করে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) দপ্তরের ছাড়পত্র নিয়ে ফেরত পেতে পারেন।

জরিমানার অংক সুনির্দিষ্টভাবে নির্ধারিত না থাকলেও এটি মোবাইল ফোনের ক্রয়মূল্যের সর্বোচ্চ ১০ গুণ পর্যন্ত হতে পারে।

ল্যাপটপ

একজন যাত্রী শুল্কমুক্ত হিসেবে একটি ল্যাপটপ আনতে পারবেন। ২টি আনতে তাকে ল্যাপটপের ক্রয়মূল্যের ১৬ শতাংশ শুল্ক-কর পরিশোধ করতে হবে। এর বেশি আনলে কাস্টমস তা আটক করবে। তবে জরিমানা ও কর দিয়ে এটি ফেরত পাওয়া সম্ভব। তবে সেক্ষেত্রে তাকে দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।

Share.

Leave A Reply