fbpx

বেসরকারি চাল আমদানি বন্ধ ৩০ এপ্রিলের পর

Pinterest LinkedIn Tumblr +

বাজারদর স্থিতিশীল রাখা, খাদ্যশস্যের বাজারমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রবণতা রোধ এবং নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীকে সহায়তা করার স্বার্থে বেসরকারি পর্যায়ে চাল আমদানি কমিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। এ লক্ষ্যে আগামী ৩০ এপ্রিলেই শেষ হচ্ছে চলতি অর্থবছরের বেসরকারি চাল আমদানি।

এ বিষয়ে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার ভার্চুয়াল এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, বেসরকারি চাল আমদানি প্রাথমিকভাবে বন্ধ করা হয়েছে। তারমধ্যে, যেসব আমদানি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, সেগুলো শেষ করতে সময় বাড়ানো হয়েছে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত। এই তারিখের পর বেসরকারি খাত আর কোনো এলসি চালু অথবা চাল আমদানি করতে পারবে না। শুধু সরকারিভাবেই এরপর চাল আমদানি চলমান থাকবে।

এর আগে, গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর চালের আমদানি শুল্কে বড় ধরনের ছাড়ের ঘোষণা দেয় সরকার। সে সময় বেসরকারিভাবে চালের আমদানি শুল্ক ৬২ দশমিক ৫ থেকে ২৫ শতাংশে নামিয়ে আনার কারণে প্রায় চার মাসে ছয় লাখ টনের বেশি চাল আমদানি হয়। তবে, এখনো কিছু চাল আমদানি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। কিন্তু, এ কার্যক্রম ৩০ এপ্রিলের মধ্যেই শেষ করতে হবে।

খাদ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ২০২১ সালের ১০ জানুয়ারির মধ্যে বেসরকারিভাবে চাল আমদানির জন্য বৈধ আমদানিকারকদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন করতে বলা হয়েছিল। তখন কয়েক হাজার আবেদনের মধ্য থেকে বাছাইয়ের পর বেশকিছু ব্যবসায়ী চাল আমদানির অনুমতি পান। অনুমতি দেওয়ার পর ব্যবসায়ীদের চাল আমদানি ও তা দেশের বাজারে সরবরাহ করার জন্য নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দিয়েছিল সরকার। সে প্রেক্ষিতে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত গত চার মাসে প্রায় ৬ লাখ ৫৭ হাজার ৩০০ টন চাল আমদানি করেছে বেসরকারি খাত।

খাদ্য মন্ত্রণালয় সূত্র আরও জানায়, চাল আমদানির জন্য বেসরকারিভাবে যারা বরাদ্দ পেয়েছেন এবং যারা গত ২৫ মার্চে এবং ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এলসি চালু করেছেন কিন্তু এখনো চাল বাজারজাত করতে পারেননি, তাদের ৩০ এপ্রিলের মধ্যে চাল বাজারজাত করতে হবে। এরপর আর সময় বাড়ানো হবে না।

খাদ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে মোট ৯ লাখ ২৩ হাজার ১০০ টন চাল আমদানি হয়েছে। যেখানে গত অর্থবছরের পুরো সময়ে মোট চাল আমদানির পরিমাণ ছিল মাত্র ৪ হাজার ১৮০ টন।সে সময় সরকারিভাবে চাল আমদানি ছিল না। আর শুল্কহার বেশি থাকায় বেসরকারিভাবে আমদানির পরিমাণ ছিল খুবই কম।

Share.

Leave A Reply