fbpx

মন্ত্রিসভায় জাকাত তহবিল ব্যবস্থাপনায় নতুন আইন অনুমোদন

Pinterest LinkedIn Tumblr +

মন্ত্রিসভায় জাকাত তহবিল ব্যবস্থাপনায় নতুন আইনের খসড়ার নীতিমালার অনুমোদন দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যোগ দেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সচিবালয়ে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানান, মন্ত্রিসভায় ‘জাকাত তহবিল ব্যবস্থাপনা আইন, ২০২১’ আইন এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।  ‘জাকাত তহবিল গঠন করা হবে। তহবিলের অর্থ সরকারিভাবে সংগৃহীত হবে। প্রবাসী বাংলাদেশি, বিদেশি যেকোনও ব্যক্তি বা সংস্থা থেকে প্রাপ্ত অর্থ যে কোনও তফসিলি ব্যাংকের জাকাত ফান্ডে জমা দিয়ে জাকাত আদায় করতে পারবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখানে একটি বোর্ড থাকবে। ধর্মমন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী এই বোর্ডের চেয়ারম্যান হবেন। জাকাত বোর্ডে সদস্য থাকবে ১০ জন। ইসলামি ফাউন্ডেশন বা ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কমিটি করে দেওয়া হবে। তারাই এই অর্থ কালেকশন ও ডিস্ট্রিবিউশন করবেন। কাকে কাকে কীভাবে দেবে, এটা তারাই ঠিক করবে। তাদের একটি অ্যাকাউন্ট থাকবে, সেখান থেকে তারা অর্থ সংগ্রহ করবে।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এই আইনে ১৪টি ধারা রয়েছে। সরকারিভাবে জাকাত সংগ্রহ ও বিতরণ করা হবে  এবং আধুনিক তথ্য ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে সরকারিভাবে যাকাতদানে উদ্বুদ্ধ করা হবে। জাকাত সংগ্রহ কেন্দ্র স্থাপন, জাকাতদানে আগ্রহী ব্যক্তিদের যাকাতযোগ্য সম্পদের বিষয়টি খসড়া আইনে রয়েছে।’

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘সুরা তাওবায় প্রিসাইসলি সাতটি ক্যাটাগরি করে দেওয়া হয়েছে,  প্রত্যেক ব্যক্তি যে জাকাতযোগ্য, সেই সাত ক্যাটাগরির যেকোনও একজনকে জাকাত দিতে পারবেন। বিভিন্ন ইসলামিক দেশগুলোতে বোর্ড আছে। অনেকেরই হয়তো ব্যক্তিগতভাবে দেওয়ার সুযোগ থাকে না, সে হয়তো যাকাত ফান্ডে দিয়ে দিলেন। তখন জাকাত ফান্ড তার পক্ষে জাকাত আদায় করে দেবে।’

কী পরিমাণ জাকাত দিতে হবে, সেটি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কোরআনে পরিস্কার বলে দেওয়া হয়েছে যে,  তোমার যখন সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ বা ওই পরিমাণ টাকা যদি এক বছর থাকে, তাহলে আড়াই শতাংশ জাকাত দিতে হবে। সেটা যদি ব্যক্তিগতভাবে দিলেন তো দিলেন, না-হলে সরকারি ফান্ডে দিলে সেটাও দিতে পারবেন বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘আপনি যখন হজে যাবেন, আপনি কিন্তু কোরবানি করতে যাবেন না। আপনি টাকা জমা দিয়ে দেবেন, ব্যাংক একটা টাইম দিয়ে দেবে, ১০ তারিখ এতটার সময় আপনার কোরবানি হয়ে যাবে। সেজন্য এ সিস্টেমটা পুরো পৃথিবীতেই আছে।’

Share.

Leave A Reply