fbpx
BBS_AD_BBSBAN
৩০শে নভেম্বর ২০২২ | ১৫ই অগ্রহায়ণ ১৪২৯ | পরীক্ষামূলক প্রকাশনা

মহামারীকাল শেষের আনন্দ, জনতার গন্তব্য করোনা ভ্যাকসিন পয়েন্ট

Pinterest LinkedIn Tumblr +
Advertisement

চলছে করোনাভাইরাসরোধী গণ টিকাদান কর্মসূচি। অনেক মৃত্যুর মহামারী পর্ব শেষ হচ্ছে। এ এক আনন্দক্ষণ।

সারাদেশে করোনাভাইরাসের গণ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয় রবিবার ৭ ফেব্রুয়ারি। এরপর থেকেই দলে দলে মানুষ ছুটছেন ভ্যাকসিন পয়েন্টে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, প্রথম দিন ৩১ হাজার ১৬০ জন করোনাভাইরাসের টিকা নেন। তাদের মধ্যে ২৩ হাজার ৮৫৭ জন পুরুষ এবং ৭ হাজার ৩০৩ জন নারী।

রবিবার ঢাকা মহানগরে টিকা নেন ৫ হাজার ৭১ জন। ঢাকার ৪৭টি কেন্দ্রের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৫৬০ জন টিকা নেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে।

আর বিভাগভিত্তিক হিসাবে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি ৯ হাজার ৩১৪ জন টিকা নেন ঢাকা বিভাগে। এছাড়া ময়মনসিংহে ১ হাজার ৬৯৩ জন, চট্টগ্রামে ৬ হাজার ৪৪৩ জন, রাজশাহীতে ৩ হাজার ৭৫৭ জন, রংপুরে ২ হাজার ৯১২ জন, খুলনায় ৩ হাজার ২৩৩ জন, বরিশালে ১ হাজার ৪১২ জন এবং সিলেট বিভাগে ২ হাজার ৩৯৬ জন টিকা নেন।

প্রাথমিকভাবে ঢাকাসহ সারা দেশে ১০১৫টি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে। ঢাকায় ২০৪টি এবং ঢাকার বাইরে ২ হাজার ১৯৬টি স্বাস্থ্যকর্মীদের দল এসব কেন্দ্রে সরাসরি টিকাদানে নিয়োজিত রয়েছেন।

ধারাবাহিকভাবে করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়ার জন্য স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে মোট ৭ হাজার ৩৪৪টি দল প্রস্তুত করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, প্রতিটি দল দৈনিক ১৫০ জনকে টিকা দিতে পারবে। সে হিসেবে দৈনিক তিন লাখের বেশি মানুষকে টিকা দেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগের।

টিকা নিতে আগ্রহী সবাইকেই আগে নিবন্ধন করতে হচ্ছে। রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত টিকার জন্য চার লাখের বেশি মানুষ নিবন্ধন করেছেন বলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে।

বাংলাদেশে জাতীয়ভাবে কোভিড-১৯ টিকা বিতরণ ও প্রস্তুতি পরিকল্পনা অনুযায়ী, তিন ভাগে (ফেইজ) মোট পাঁচ ধাপে এসব টিকা দেওয়া হবে। কোভিড-১৯ মহামারী প্রতিরোধে সামনের কাতারে থাকা মানুষ প্রাধান্য পাবেন। সবাইকে এ টিকার দুটি ডোজ নিতে হবে।

Advertisement
Share.

Leave A Reply