fbpx

মিথ্যা ও গোপনীয়তা কি সম্পর্কের অন্তরায়?

Pinterest LinkedIn Tumblr +
Advertisement

বিশেষজ্ঞদের অনেকেই বলে থাকেন, যে কোন সম্পর্কই আসলে রাজনীতি। কথাটির সাথে অনেকেই ভিন্নমত পোষন করতেই পারেন, তবে এই কথার সাথে একমত হওয়ার মানুষও নেহাত কম নয়। তার উপর আবার সম্পর্কের সাথে বিশ্বাস-অবিশ্বাস জড়িয়ে থাকে। সঙ্গীকে নিজের সব কিছুর কতটুকু বলবেন তার উপর ভিত্তি করেই গড়ে বিশ্বাসের নানা স্তর। মিথ্যে আর গোপনীয়তা সেই নিরিখে মারাত্মক জটিল দুটি শব্দ।

সত্য-মিথ্যার বিভেদ নিয়েও আছে নানা দ্বন্দ্ব। ব্যক্তিজীবনে মিথ্যে কী তা নিশ্চিত করে বলা সহজ নয়। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে, বাবা-মা সন্তানকে উৎসাহ দেওয়ার জন্য অনেক সময় সন্তানের কোন কিছুকে ‘খুব সুন্দর’ বলে দাবি করেন, তখন সেটা কি মিথ্যে? অর্থাৎ এই ধরনের মিথ্যে সচেতন ভাবে বলা হলেও তার কারণ থাকে প্রিয়জনকে স্বস্তি দেওয়া।

নিজের অপকীর্তি ঢাকার জন্য অনেকে আবার মিথ্যে কথা বলেন। অনেকের দাবী, এটিও একেবারে মিথ্যের খাতায় ফেলে দেওয়া যায় না। অনেকসময় কোনও ভুল কিছু করে ফেললে অনুতাপে বা  সেটাকে পালটে ফেলা সম্ভব নয় জেনে মিথ্যা দিয়ে ঢাকার চেষ্টা করে অনেকেই। আর মিথ্যা বাড়তে বাড়তে সেটা এক সময় হয় গভীর থেকে গভীরতর।

অনেকেই আছেন যারা নিজের কিছু কিছু দিক, বিশেষত অতীতের ঘটনা লুকিয়ে যান সঙ্গীর থেকে। অনেকেই নিজের পরিবারের গোপন কথা সঙ্গীকে বলতে দ্বিধা বোধ করেন। কিন্তু সঙ্গী সবটুকু জানতে আগ্রহী হলেই বাধে বিপত্তি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মিথ্যা বা গোপনীয়তা কোনটাই অস্বাভাবিক নয়। এমনকি অনৈতিকও নয় অনেক সময়। সঠিক উদ্দেশ্য নিয়ে বলা কোনও মিথ্যে খারাপ নয়। কিন্তু এক্ষেত্রে যে বিষয়টি লক্ষণীয় তা হল, এটি প্রমাণ করে যে আপনার আর আপনার সঙ্গীর মধ্যে বিশ্বাস ও ভরসার অভাব রয়েছে।

আমাদের প্রত্যেকের মনে রাখা দরকার যে, প্রত্যেক মানুষের গঠন, চিন্তার সীমা আলাদা। তাই দুজনের মধ্যে সব বিষয় নিয়েই পরিষ্কার বোঝাপড়া গুরুত্বপূর্ণ। আর এক্ষেত্রে সঙ্গীর প্রয়োজনের জায়গাটুকু দেওয়াই সুস্থ সম্পর্কের লক্ষণ।

Advertisement
Share.

Leave A Reply