fbpx

মৃত্যুর কাছে হার মানলেন পাইলট নওশাদ

Pinterest LinkedIn Tumblr +

মৃত্যুর কাছে হার মেনে না ফেরার দেশে চলে গেলেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পাইলট নওশাদ আতাউল কাইয়ুম (৪৪)। ভারতের নাগপুরের কিংসওয়ে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তিনি ‘কোমায়’ ছিলেন। তাকে ভেন্টিলেটর দেওয়া হয়েছিল।

সোমবার বিকাল তিনটার দিকে পাইলট নওশাদের মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ পাইলট অ্যাসোসিয়েশনের (বাপা) সভাপতি মাহবুবুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘আজ বেলা ১১টার দিকে পাইলট নওশাদের ভেন্টিলেটর খুলে দিয়ে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়।’

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের উপব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) তাহেরা খন্দকার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে বলেন, ‘ক্যাপ্টেন নওশাদের মারা যাওয়ার বিষয়টি আমাদের কাছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। তাঁকে কখন দেশে আনা হবে, কখন তিনি মারা গেলেন এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।’

গত শুক্রবার সকালে ওমানের মাসকাট থেকে বিজি-০২২ ফ্লাইটটি ঢাকায় আসার পথে হঠাৎ করে ক্যাপ্টেন নওশাদ অসুস্থ বোধ করেন। তিনি সিভিয়ার হার্ট অ্যাটাক করেন। বিমানটি ভারতের জরুরি অবতরণ করানো হয়।

বোয়িং ৭৩৭-৮০০ মডেলের বিমানটিতে ১২৪ জন যাত্রী ছিলেন। ওই ফ্লাইটটিতে যাত্রী ছাড়াও ছয়জন ক্রু সদস্য এবং একজন কো-পাইলট ছিলেন। তারা সবাই নিরাপদে ছিলেন।

ক্যাপ্টেন নওশাদ কাইয়ুমকে ভারতের নাগপুরের কিংসওয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানকার মেডিকেল সার্ভিসের পরিচালক সুভরজিৎ দাশগুপ্ত, ক্রিটিক্যাল কেয়ার ফিজিশিয়ান রঞ্জন বারোকার, এবং বীরেন্দ্র বেলেকারের অধীনে চিকিৎসাধীন ছিলেন পাইলট নওশাদ। প্রায় তিন দিন ধরে চেষ্টা চালিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি তার।

Share.

Leave A Reply