fbpx

যেসব কারণে সব টাওয়ার বিক্রি করে দিচ্ছে রবি

Pinterest LinkedIn Tumblr +

বাংলাদেশের অন্যতম মোবাইল অপারেটর রবি অজিয়াটা তাদের সকল মোবাইল নেটওয়ার্ক টাওয়ার বিক্রি করে দিচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির হাতে এখন রয়েছে ২ হাজার ৪৭০টি টাওয়ার। এগুলো বিক্রির জন্য চূড়ান্ত আলোচনা চলছে বলেও জানা গেছে।

মোবাইল অপারেটরদের মধ্যে ভাগাভাগি করে টাওয়ার ব্যবহার, টাওয়ার সামলানোর খরচ কমানো ও এককালীন আয়ের সুযোগ তৈরির জন্যই তারা সব টাওয়ার বিক্রি করে দিতে চায় বলে রবি থেকে জানা গেছে।

রবির চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলম বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান বাস্তবতায় মোবাইল অপারেটরদের বিনিয়োগ সুরক্ষায় টাওয়ার ভাগাভাগির কোনো বিকল্প নেই। এ ক্ষেত্রে রবি অনেক আগে থেকেই উদ্যাগ নিয়ে কাজ করে আসছে।

ভাগাভাগির মাধ্যমে টাওয়ার ব্যবস্থাপনার খরচ ও সংখ্যা কমিয়ে এনে সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি বলেও জানান রবির এই কর্মকর্তা।

বর্তমানে দেশে এখন চারটি মোবাইল অপারেটর আছে-গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক এবং টেলিটক। এসকল অপারেটরগুলো এর ২০১৮ সালে আগে নিজেরাই মোবাইল নেটওয়ার্ক পরিচালনার জন্য টাওয়ার বসাতো।

এরপর বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ২০১৮ সালের নভেম্বরে চারটি টাওয়ার  কোম্পানিকে লাইসেন্স দেয়।তখন বিটিআরসি মোবাইল অপারেটরগুলোর জন্য নীতিমালা নির্ধারণ করে দেয়। যেখানে বলা হয়, মোবাইল অপারেটরগুলো আর কোনো টাওয়ার বসাতে পারবে না। তবে তাদের হাতে পুরোনো টাওয়ারগুলো থাকতে পারবে।

আর টাওয়ার কোম্পানিকে লাইসেন্স দেওয়ার যুক্তি হিসেবে বিটিআরসি বলেছিল, ভাগাভাগি করে ব্যবহার নিশ্চিত করতেই টাওয়ার কোম্পানি গঠনের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এতে টাওয়ার বসাতে মোবাইল অপারেটরগুলোর বিপুল বিনিয়োগ প্রয়োজন হবে না।

২০১৫ সালে রবি ইডটকো নামের একটি প্রতিষ্ঠানের কাছে তাদের ৫ হাজার ২৫৮টি টাওয়ার বিক্রি করে দেয়। যার মালিক রবির মালিক প্রতিষ্ঠান মালয়েশিয়ার আজিয়াটা বারহাদ। রবি তখন  টাওয়ার বিক্রি করে  ২৫ কোটি ডলার পায়। বর্তমানে বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ২ হাজার ১২৫ কোটি টাকা।

মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন অ্যামটবের সাবেক মহাসচিব টি আই এম নুরুল কবির বলেন, মোবাইল সেবায় সমন্বিত লাইসেন্স দরকার ছিল। তার বদলে সেবা ব্যবস্থায় একেক অংশের আলাদা আলাদা লাইসেন্সের কারণে মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করা যায়নি। সংশ্লিষ্ট নীতিমালাগুলো পুর্নমূল্যায়ণ করা গেলে এ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।

Share.

Leave A Reply