fbpx

রমজানে যানজট নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থা

Pinterest LinkedIn Tumblr +
Advertisement

রাজধানী ঢাকাবাসীরা প্রতিদিন তীব্র যানজটের মুখোমুখি হয়। ঢাকার খুব কম এলাকাতেই যানজট ছাড়া চলাচল করা যায়। সকাল ৫টা-৬টা থেকে রাত ১২টা-১টা পর্যন্ত এই যানজটে নাকাল ঢাকাবাসী। তবে রমজানে এই সমস্যা দূরীকরণে বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

স্বাভাবিক যানজট রমজানে আরও তীব্র হতে পারে এমন আশঙ্কা করে নেওয়া হচ্ছে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি। যানবাহন নিয়ন্ত্রণে বেলা ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত থাকবে বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থা।

গতকাল সোমবার সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপি এই ঘোষণা দেয়।

এর আগে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট, সেবা সংস্থা, ব্যবসায়ী, দুই সিটি করপোরেশনসহ ২২টি সংস্থা বৈঠক করে ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে।

তিনি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, যানজট লেগেই থাকে এবং জনসমাগম বেশি– এমন শতাধিক স্পট চিহ্নিত করেছে ডিএমপি। ইফতারের আগ মুহূর্তে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন ও প্রতিটি থানা পুলিশকে এ সময়ে ট্রাফিক সদস্যদের সহযোগিতা করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি পথচারীদের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে থানা পুলিশকে ফুটপাত হকারমুক্ত রাখতে বলা হয়েছে।

ডিএমপি সূত্রে জানা যায়, এবার রমজান মাসে ট্রাফিক ব্যবস্থা অন্য বছরের চেয়ে ভিন্ন রকম হবে। এরই মধ্যে সব ট্রাফিক ও ক্রাইম বিভাগকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে বলা হয়েছে। যানজট নিরসনে কমিউনিটি পুলিশকে কাজে লাগানো হবে।

এ ছাড়া ট্রাফিক বিভাগে ফোর্স বাড়ানো হচ্ছে। রমজানে সড়কে উন্নয়নকাজ এবং খোঁড়াখুঁড়ি বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে ওয়াসা, তিতাস, সিটি করপোরেশন ও বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলোকে।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ৩০৬ বর্গকিলোমিটারের ঢাকা শহরে সোয়া ২ কোটি মানুষ বাস করে। পুলিশ এখানে রাতারাতি যানজট সমস্যা সমাধান করতে পারবে না। তবে সবাই সহযোগিতা করলে তা সম্ভব।

শুধু যানজট নয়, রমজানে ছিনতাই, খাদ্যে ভেজালের চ্যালেঞ্জ রয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার। তিনি বলেন, রোজায় শপিংমল, রাস্তা ও ব্যাংকের সামনে ছিনতাই হয়। এ ছাড়া অবৈধ মজুত করে কৃত্রিমভাবে মূল্যবৃদ্ধি এবং খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল প্রতিরোধও বড় চ্যালেঞ্জ। এসব সমস্যা সমাধানে পুলিশ এরই মধ্যে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

Advertisement
Share.

Leave A Reply