fbpx

শাল্লায় সাম্প্রদায়িক হামলায় জড়িতদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না : র‍্যাব মহাপরিচালক

Pinterest LinkedIn Tumblr +

সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামে ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে হিন্দুদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন র‌্যাবের মহাপরিচালক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন। এছাড়া আগামীতে যাতে এমন ঘটনা ঘটানোর সাহস কেউ না পায়, সে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

১৮ মার্চ বৃহস্পতিবার সকালে র‍্যাবের মহাপরিচালক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন নোয়াগাঁও যান এবং গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি ঘুরে দেখেন ও তাদের সাথে কথা বলেন। পরে তিনি নোয়াগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সমবেত লোকজনের উদ্দেশে বক্তব্য দেন।

র‍্যাব মহাপরিচালক বলেন, ‘বাংলাদেশ কারও একার নয়। এটা হিন্দু-মুসলিম সবার। সবাই এখানে মিলেমিশে থাকবেন। এ গ্রামের বাসিন্দারা নিশ্চিতে এখানে বসবাস করবেন। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা যদি ধর্মীয় সংকীর্ণতায় ভুগি তাহলে দেশ এগোবে না। এখানে যুগ যুগ ধরে সব ধর্মের মানুষ মিলেমিশে বাস করছেন। আমরা যেভাবে এখানে ছোটবেলা থেকে মিলেমিশে বাস করছি ভবিষ্যতেও থাকব। যাদের ভেতরে ধর্মীয় সংকীর্ণতা আছে সেগুলো বাদ দিতে হবে। উদার হতে হবে।

যাদের ক্ষতি হয়েছে প্রশাসন ও সরকারের পক্ষ থেকে তাদের সহায়তা করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, আমি এই এলাকার সন্তান ,তাই এ মাটির সন্তান হিসেবে আমার দায় আছে। আমি সব সময় খোঁজ রাখব। এলাকার পরিস্থিতি সব সময় আমাদের নজরে থাকবে ।

ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামবাসীরা অভিযোগ, গত সোমবার দিরাই উপজেলা শহরে এক সমাবেশে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা জুনাঈদ বাবুনগরী ও মাওলানা মামুনুল হক বক্তব্য দেন। মামুনুল হককে নিয়ে নোয়াগাঁও গ্রামের ঝুমন দাস নামে এক যুবক ফেসবুকে আপত্তিকর পোস্ট দেন। এই অভিযোগেই গ্রামের হেফাজত নেতা মামুনুল হকের কয়েক হাজার অনুসারী দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে নোয়াগাও গ্রামে অতর্কিত হামলা চালায়। এছাড়া হেফাজত নেতার অনুসারীরা গ্রামে প্রবেশ করে তছনছ করে। লুটপাট করে বিভিন্ন বাড়িতে।

Share.

Leave A Reply