fbpx

সবচেয়ে বেশি ঘোরেন সিলেট বিভাগের মানুষ, কম ময়মনসিংহে

Pinterest LinkedIn Tumblr +
Advertisement

মানসিক চাপ আর উদ্বিগ্নতা ঝেড়ে ফেলতে ভ্রমণের জুড়ি নেই। আর আপনি যদি ভ্রমণপিপাসু মানুষ হন, তাহলে তো কথাই নেই। ভ্রমণে যতো পথ পাড়ি দেবেন মনের মধ্যে জমে থাকা চাপ, বিষণ্নতা সব কিছুই কমে যেতে থাকবে আর সেইসঙ্গে বাড়তে থাকবে সামাজিক দক্ষতা।

তবে কর্মব্যস্ত জীবনে সব সময় ঘুরতে যাওয়া সম্ভব নয়। আবার অনেক ক্ষেত্রে সাধ ও সাধ্যের মেলভার করা প্রায় অসম্ভব। তাই বলে কি ভ্রমণ থেমে থাকতে পারে?

সম্প্রতি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ভ্রমণ সংক্রান্ত এক জরিপ করেছে। যার মূল উদ্দেশ্য ছিল দেশে পর্যটকের সংখ্যা ও ভ্রমণ ব্যয়ের পরিমাণ জানা এবং মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) পর্যটন খাতের অবদান কতটুকু।

‘ট্যুরিজম স্যাটেলাইট অ্যাকাউন্ট’ শীর্ষক প্রতিবেদনটির জরিপ প্রক্রিয়া শুরু হয় ২০২০ সালের মার্চ মাসে। যারা বাইরে কোথাও ঘুরতে গিয়ে এক রাতের বেশি সময় কাটিয়েছেন, তাঁদেরই জরিপে পর্যটক হিসেবে ধরেছে বিবিএস।

জরিপের আলোকে বিবিএস বলছে, জিডিপিতে এখন পর্যটন খাতের অবদান ৩ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৭৭ হাজার কোটি টাকা।

জরিপে সর্বোচ্চ ১৩ শতাংশ উত্তরদাতা বলেন, ভ্রমণের জন্য ডিসেম্বর মাস তাদের বেশি পছন্দ। কারণ, এই মাসে পরিবেশ ও আবহাওয়া বেশি অনুকূলে থাকে। আবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও বন্ধ থাকে। এরপর পছন্দের সময় জুন ও জানুয়ারি মাস। আর সবচেয়ে কম ভ্রমণ করেন নভেম্বর মাসে।

অঞ্চল ভিত্তিতে দেখা যায়, দেশ-বিদেশে সবচেয়ে বেশি ভ্রমণ করেন সিলেট বিভাগের মানুষ। এই বিভাগের ১৭ শতাংশ মানুষ ভ্রমণ করেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ মানুষ ভ্রমণ করেন রাজশাহী বিভাগের। তৃতীয় অবস্থানে আছে ঢাকা বিভাগ, যেখানকার ১৪ শতাংশ মানুষ ভ্রমণে বের হন। আর ভ্রমণে সবচেয়ে পিছিয়ে ময়মনসিংহের মানুষ, এখানের মাত্র ৬ শতাংশ মানুষ ভ্রমণ করেন।

বিবিএস বলছে, বাংলাদেশে পর্যটকদের পছন্দের শীর্ষে আছে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত। সর্বোচ্চ ১৭ শতাংশ পর্যটক বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতটিতে ঘুরতে পছন্দ করেন। এছাড়া পতেঙ্গা ১২, কুয়াকাটা ১০,‌ শ্রীমঙ্গল ৯, সাজেক ভ্যালি ৬ ও সুন্দরবনে ৫ শতাংশ মানুষ ভ্রমণ করেন।

পর্যটনে সবচেয়ে বেশি খরচ কেনাকাটা ও স্বাস্থ্য সেবায়। রাত যাপনসহ একদিনের গড় খরচ ৯,০৭১ টাকা। আর যাতায়াতের ক্ষেত্রে বাসে ৫২, গাড়িতে ১৫ ও  বিমানে ০.২৮ শতাংশ মানুষ ভ্রমণ করেন।

বিবিএস দৈবচয়নের ভিত্তিতে দেশের মোট পাঁচ হাজার খানার ওপর জরিপটি করেছে। এর মধ্যে শহরাঞ্চলের ২ হাজার ৩৯০টি খানা ও গ্রামাঞ্চলের ২ হাজার ৬১০টি খানা।

Advertisement
Share.

Leave A Reply