fbpx

সাবেক সেনাপ্রধানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা, আগেই জানতো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

Pinterest LinkedIn Tumblr +
Advertisement

দুর্নীতিতে সম্পৃক্ততার অভিযোগে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ ছাড়া তার পরিবারের সদস্যদেরও যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে অযোগ্য ঘোষণার কথা জানানো হয়েছে।

সোমবার (২০ মে) স্থানীয় সময় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, জেনারেল আজিজ আহমেদের কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতি জনগণের বিশ্বাসকে ক্ষুণ্ন করতে ভূমিকা রেখেছে। আজিজ আহমেদ তার ভাইকে বাংলাদেশে অপরাধমূলক কার্যকলাপের জন্য জবাবদিহি এড়াতে কাজ করেছেন। এটা করতে গিয়ে তিনি নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য দুর্নীতিতে জড়িয়েছেন। সামরিক চুক্তির বিষয়ে আজিজ তার ভাইয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছিলেন এবং তার ব্যক্তিগত স্বার্থে সরকারি নিয়োগের বিনিময়ে ঘুষ গ্রহণ করেছিলেন।

এদিকে আজিজ আহমেদের ওপর নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে ওয়াশিংটনে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনকে যুক্তরাষ্ট্র আগেই জানিয়েছিল বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

মঙ্গলবার (২১ মে) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, এ বিষয়ে আমাদের মিশনকে (ওয়াশিংটন) আগেই জানানো হয়েছিলো। এটা সেনাবাহিনীর বিষয়। এই মূহূর্তে আর কিছু বলতে চাই না। তবে আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নানা বিষয়ে সম্পৃক্ত আছি।

তিনি জানান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আগে যে ভিসানীতি ঘোষণা করেছিলো, সেটা ছিলো থ্রি সির আওতায়। আর জেনারেল আজিজের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে ফরেন অফিস অপরেশন অ্যাক্টের আওতায়। এই দুটি আলাদা বিষয়। তবে আমরা সব সময়েই দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স।

Advertisement
Share.

Leave A Reply