fbpx

হাজারও যাত্রী আজও ফেরি পারের অপেক্ষায়

Pinterest LinkedIn Tumblr +
Advertisement

মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ও মাদারীপুরের বাংলাবাজার নৌপথে গতকালের মতো আজও ঈদে ঘরমুখী যাত্রীদের প্রচণ্ড চাপ। সকাল থেকেই শিমুলিয়ায় ঘাটে পারাপারে অপেক্ষায় আছেন হাজারো যাত্রী। অপরদিকে, মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ও রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া নৌপথেও সকাল থেকে সাধারণ পরিবহনবাহী ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে সেখানে ঘরমুখী যাত্রীদের চাপ কম দেখা গেছে।

আজ রবিবার (৯ মে) এই ফেরি ঘাটগুলোতে ভোররাত থেকেই যাত্রীরা জড়ো হয়ে অপেক্ষা করছেন ফেরির আশায়।

দক্ষিণবঙ্গগামী যাত্রীরা শিমুলিয়া ঘাটে জড়ো হয়ে ফেরি ছাড়ার অপেক্ষায় থাকলেও সকাল থেকে সেখানে কোনো ফেরি ছেড়ে যায়নি। সেখানে আজ সকাল থেকেই টহল দিচ্ছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা। শিমুলিয়া ঘাটে লম্বা সারি করে রয়েছে মালবাহী গাড়ি। আর পারাপারের অপেক্ষায় সেখানে রয়েছে প্রায় ৩৫০টি যানবাহন।

শিমুলিয়া ঘাটের ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তা হিলাল উদ্দিন সংবাদমাধ্যমকে জানান, সকালে শুধু কয়েকটি অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে একটি ছোট ফেরি ঘাট থেকে ছেড়ে গেছে। এছাড়া, জরুরি পণ্যবাহী যানবাহন ও অ্যাম্বুলেন্স জড়ো হওয়ায় সকাল পৌনে ১০টার দিকে ফেরি শাহপরান ঘাট ছেড়ে যায়।

ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় পাটুরিয়া ঘাটে আসা যাত্রীরাও পড়েছেন ভোগান্তিতে। বিশেষ করে, নারী ও শিশু যাত্রীরা শৌচাগার ও খাবার হোটেলের অভাবে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বেশি। তবে, শিমুলিয়া ঘাটের তুলনায় এ ঘাটে ঈদ উপলক্ষে ঘরমুখী যাত্রীদের চাপ কম দেখা গেছে। শুধু দু’টি ফেরি দিয়ে অ্যাম্বুলেন্স ও জরুরি পণ্যবাহী যান পারাপার করা হচ্ছে সেখানে।

এদিকে, মানিকগঞ্জে তিন প্লাটুন বিজিবির সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। তবে পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় সকাল সাড়ে নয়টা পর্যন্ত তাদের দেখা যায়নি। জানা গেছে, বিজিবির সদস্যরা ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের বিভিন্ন এলাকায় দায়িত্ব পালন করছেন। তবে শিবালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফিরোজ কবিরসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যদের ঘাট এলাকায় দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, শুক্রবার এই নৌপথগুলোতে যাত্রী ও ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ বেড়ে যাওয়ায় বাধ্য হয়ে শনিবার দুপুরের পর থেকে যাত্রীসহ গাড়িগুলো পারাপার করতে দেওয়া হয়। তবে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে যাত্রীরা গাদাগাদি করে ফেরিতে উঠে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দেওয়ায় সন্ধ্যার পর থেকে আবারও ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়।

Advertisement
Share.

Leave A Reply