fbpx

হাজী সেলিমের ১০ বছরের সাজা বহাল

Pinterest LinkedIn Tumblr +

ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিমের ১০ বছরের সাজা বহাল রেখেছে হাইকোর্ট। অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় এই সাজা হয় তাঁর। এর আগে দুদকের এই মামলায়  তাকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিল বিচারিক আদালত।

রায় প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে তাকে বিচারিক আদালতে  আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

৯ মার্চ মঙ্গলবার বিচারপতি মো. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

একই সাথে সংসদ সদস্য পদও ছাড়তে হবে হাজী মোহাম্মদ সেলিমেকে। সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদে একজন
সংসদ সদস্যকে অযোগ্য ঘোষণার অনেকগুলো বিধান আছে। সেখানে বলা হয়েছে কোনো ব্যক্তি যদি নৈতিক
স্খলনজনিত কোনো ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে দুই বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং মুক্তি পাওয়ার পর পাঁচ বছর সময় পার না হয়, তবে তিনি সংসদ সদস্য হওয়ার কিংবা সংসদ সদস্য থাকার যোগ্য হবেন না।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি সেলিমের করা আপিলের ওপর শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন ধার্য করেন হাইকোর্ট। তাঁর ধার্য দিনেই সেলিমের করা আপিলের ওপর এ রায় ঘোষণা করেন হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট ভার্চুয়াল বেঞ্চ।

২০০৭ সালের ২৪ অক্টোবর হাজী সেলিমের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে লালবাগ থানায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের করা মমলায় ২০০৮ সালের ২৭ এপ্রিল তাকে ২০ লাখ টাকা জরিমানাসহ ১৩ বছরের কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত।

তবে ২০০৯ সালের ২৫ অক্টোবর এই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন হাজী সেলিম। আপিলের পেক্ষিতে ২০১১ সালে ২ জানুয়ারি তাঁর সাজা বাতিল করেন হাইকোর্ট। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আবার আপিল করে দুদক।

ওই আপিলের শুনানি শেষে ২০১৫ সালের ১২ জানুয়ারি হাইকোর্টের রায় বাতিল করেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে হাইকোর্টে ওই আপিল (হাজী সেলিমের) পুনরায় শুনানি করতে বলা হয়। এরপর প্রায় পাঁচ বছর ওই আপিলের শুনানি হয়নি। তবে সম্প্রতি আপিলটি শুনানির উদ্যোগ নেয় দুদক।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ১১ নভেম্বর হাইকোর্ট বিচারিক আদালতে থাকা মামলার যাবতীয় নথি (এলসিআর) তলব করেন। এরপর কয়েক দিবস শুনানি শেষে ২৪ ফেব্রুয়ারি আপিলটি রায়ের জন্য অপেক্ষমান রাখা হয়।

এ মামলায় দুদকের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। হাজী সেলিমের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী আব্দুল বাসেত মজুমদার ও আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। তার সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল তামান্না ফেরদৌস।

Share.

Leave A Reply