fbpx
BBS_AD_BBSBAN
২২শে ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ৯ই ফাল্গুন ১৪৩০ | পরীক্ষামূলক প্রকাশনা

হ্যান্ড, ফুট অ্যান্ড মাউথ ভাইরাস থেকে সাবধান!

Pinterest LinkedIn Tumblr +
Advertisement

শিশুর শরীরে জ্বর, হাতে, পায়ে, মুখ ও মুখের ভেতরে সাদা পানি জাতীয় ফুসকুড়ি, গায়ে ব্যথা, অস্বস্তি দেখলেই বুঝবেন আপনার শিশু হ্যান্ড, ফুট অ্যান্ড মাউথ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে।

কক্সেকি নামক একটি ভাইরাস, যা হ্যান্ড ফুট এন্ড মাউথ নামে পরিচিত। তিন থেকে সাত বছর বয়সী শিশুদের বেশি আক্রান্ত করে এই ভাইরাস। অনেক বেশি ছোঁয়াচে বলে স্কুলে বা ঘরে একজন শিশুর হলে বাকিদেরও হবার ঝুঁকি থাকে, তাই লক্ষণ দেখা দেবার সাথে সাথে ভাইরাসে আক্রান্ত শিশুটিকে আলাদা করে ফেলতে হবে। রাখতে হবে বিশেষ সতর্কতায়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. সাঈদা আনোয়ার বিবিএস বাংলাকে বলেন, ‘প্রথমে বাচ্চাদের জ্বর হবে, গলার ভেতরে খুশখুশে কাশি, এরপর হাতে, পায়ে বিশেষ করে হাতের তালুতে, পায়ের তালুতে ছোট ছোট পানি পানি ছোট দানাদার ফুসকুড়ি হবে। মুখের ভেতর হওয়ায় বাচ্চারা খেতে পারবে না। কষ্ট হবে। ফুসকুড়িতে ব্যথা হওয়ায় রাতে ঘুমাতে পারবে না, অস্বস্তিবোধ করবে। এটি অতি দ্রুত ছড়ানো ভাইরাস হলেও ভয়ের কোন কারণ নেই। সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যেই সেরে যায়।’

চিকিৎসা সম্পর্কে শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. সাঈদা আনোয়ার বলেন, ‘এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে আলাদা করে কোন চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। এখন পর্যন্ত কোন ভয়াবহ ক্ষতি বা জীবননাশের প্রমাণ পায়নি আইসিডিডিআরবি। তাই জ্বর হলে নাপা, কাশি হলে কাশির ওষুধ, ভিটামিন সি জাতীয় খাবার, মুখের ভেতর ঘা হওয়াতে যেহেতু বাচ্চারা খেতে পারবে না তাই প্রচুর পরিমানে তরল খাবার খাওয়াতে হবে।’

‘যেহেতু এটি ভাইরাসজনিত রোগ, দ্রুত ছড়াবে তাই আক্রান্ত শিশুর কাছ থেকে অন্যান্য শিশুরা আক্রান্ত হবে, তাই লক্ষণ দেখা দেওয়ার সাথে সাথেই শিশুদের স্কুলে বা বাসার বাইরে না পাঠিয়ে আলাদা ঘরে যত্ন নিতে হবে। এটা একেবারেই ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো নরমাল ভাইরাস, কাজেই ভয় পাবার কোনও কারণ নেই। শুধু একটু সচেতন ও সাবধানতা অবলম্বন করলেই শিশুরা দ্রুত সেরে উঠবে,’ জানালেন ডা. সাঈদা আনোয়ার।

এই ভাইরাসে বড়রা আক্রান্ত না হোক, কিন্তু বড়দের মাধ্যমে ছোটরা আক্রান্ত হবার ঝুঁকিতে থাকবেন, তাই বড়দেরকেও হাচি কাশি, টয়লেট থেকে ফিরে এবং আক্রান্ত ব্যক্তির যত্ন নেওয়ার আগে পরে ভালোভাবে হাত মুখ সাবান দিয়ে ধুয়ে নেওয়াসহ সব ধরণের সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ শিশু বিশেষজ্ঞদের।

Advertisement
Share.

Leave A Reply