fbpx

১১ ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি ২৫ হাজার কোটি টাকার বেশি

Pinterest LinkedIn Tumblr +

বিভিন্ন কেলেঙ্কারি ও অনিয়ম-জালিয়াতি আর নানা অব্যবস্থাপনায় মূলধন ঘাটতিতে পড়ছে দেশের সরকারি-বেসরকারি ১১টি ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, জুন প্রান্তিক শেষে মোট ১১টি ব্যাংক মূলধন রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে। এর মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের পাঁচটি, বিশেষায়িত খাতের দুইটি ও বেসরকারি খাতের চারটি ব্যাংক রয়েছে। এসব ব্যাংকের মূলধন ঘাটতির পরিমাণ ২৫ হাজার ৩৮৫ কোটি টাকা।

আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং রীতি ব্যাসেল-৩ অনুযায়ী, ঝুঁকি বিবেচনায় ব্যাংকগুলোকে নিয়মিত মূলধন সংরক্ষণ করতে হয়। বর্তমান নিয়মে ব্যাংকগুলোকে ৪০০ কোটি টাকা অথবা ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের ১০ শতাংশের মধ্যে যা বেশি সেই পরিমাণ অর্থ ন্যূনতম মূলধন হিসেবে সংরক্ষণ করতে হয়।

চলতি বছরের ছয় মাসে ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণ ১০ হাজার ৪৭১ কোটি টাকা বেড়ে ৯৯ হাজার ২০৫ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। এতে মূলধনের প্রয়োজনীয়তা বেড়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের জুন শেষে মূলধন সংকটে পড়া ব্যাংকগুলো হলো- রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, জনতা, অগ্রণী, রূপালী, বেসিক, বেসরকারি খাতের এবি ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স, আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক ও পদ্মা ব্যাংক। এছাড়া বিশেষায়িত কৃষি ব্যাংক এবং রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক মূলধন সংকটে পড়েছে।

বিভিন্ন সুবিধার পরও রাষ্ট্রীয় মালিকানার ছয় বাণিজ্যিক ব্যাংকের মধ্যে পাঁচটি এখন মূলধন সংকটে আছে। জুন মাস শেষে এসব ব্যাংকের ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৪৫৫ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মূলধন ঘাটতি রয়েছে সোনালী ব্যাংকের। ব্যাংকটির মূলধন ঘাটতি ৩ হাজার ৫৫৭ কোটি ৮৬ লাখ টাকা।

এছাড়া অগ্রণী ব্যাংকের এক হাজার ৯৬০ কোটি ২৩ লাখ টাকা, বেসিক ব্যাংকের এক হাজার ৯২৭ কোটি  ২৮ লাখ টাকা, রূপালীর ব্যাংকের ৬৬৪ কোটি ৯৪ লাখ টাকা এবং জনতা ব্যাংকের ৩৪৫ কোটি টাকা।

এদিকে বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ঘাটতি ১১ হাজার ৮৪৩ কোটি ৯৭ লাখ  টাকা এবং রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের (রাকাব) ঘাটতি এক হাজার ৫০৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা।

বেসরকারি খাতের চারটি ব্যাংকের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মূলধন ঘাটতি রয়েছে আইসিবি ইসলামী ব্যাংকের এক হাজার ৬৪২ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। এছাড়া বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক ১১৪৬ কোটি ২১ লাখ টাকা, পদ্মা ব্যাংক (সাবেক ফারমার্স) ৪৬১ কোটি ৪৯ লাখ টাকা এবং এবি ব্যাংক ৩২৯ কোটি ৫২ লাখ টাকা মূলধন ঘাটতি রয়েছে।

Share.

Leave A Reply