fbpx

২৭ দিন পর দাপ্তরিক কাজে যোগ দিলেন শাবিপ্রবির উপাচার্য

Pinterest LinkedIn Tumblr +
Advertisement

টানা ২৭ দিন পর দাপ্তরিক কাজ শুরু করেছেন সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।

রবিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল নয়টার দিকে নিজ কার্যালয়ে এসে কাজ শুরু করেন উপাচার্য। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. ইশফাকুল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সকাল থেকে উপাচার্য নানা দাপ্তরিক কাজ তদারক করছেন। বিকেলের দিকে কয়েকটি বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা তার।

এর আগে গত শুক্রবার সন্ধ্যায়  শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন। তিনি আধ ঘণ্টার জন্য তার কার্যালয়ে এলেও কোনো দাপ্তরিক কাজে অংশ নেন নি।

উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে শাবিপ্রবিতে চলা আন্দোলনের বর্তমান পরিস্থিতি জানতে শুক্রবার সিলেটে আসেন শিক্ষামন্ত্রী। সেখানে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে প্রায় সোয়া তিন ঘণ্টা বৈঠক করেন তিনি।

বৈঠকে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের পদত্যাগসহ পাঁচ দফা দাবি ও আট দফা প্রস্তাবনা শিক্ষামন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করেন।

বৈঠক শেষে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, উপাচার্যের পদত্যাগের দাবির বিষয়টি তিনি আচার্যকে জানাবেন। বাকি দাবিগুলো দ্রুত পূরণে তিনি চেষ্টা করবেন। বৈঠক শেষে শিক্ষামন্ত্রী শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে উপাচার্যসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক করেন।

পরে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা সংবাদ সম্মেলন করে উপাচার্যের পদত্যাগসহ বিভিন্ন দাবি পূরণে শিক্ষামন্ত্রীর আশ্বাস পাওয়ায় চলমান আন্দোলন কর্মসূচি আপাতত প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। সেদিন সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর গত ১৬ জানুয়ারি পুলিশের গুলি ও লাঠিপেটার ঘটনাকে ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ অভিহিত করে ২৮ দিন পর দুঃখ প্রকাশ করে বিবৃতি দেন উপাচার্য।

এদিকে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যায়ের শাখা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা রবিবার সকাল ১০টার দিকে উপাচার্যের কাছে সাত দফা দাবিতে স্মারকলিপি পেশ করেছেন। স্মারকলিপি দেওয়ার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক খলিলুর রহমান।

তিনি বলেন, ক্যাম্পাসের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সুষ্ঠু ও পাঠদানের যথোপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে তারা উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন।

স্মারকলিপিতে অতি দ্রুত ক্যাম্পাস খুলে দেওয়া; দ্রুত অনলাইন ও অফলাইনে একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করা; ১৬ জানুয়ারি পুলিশি হামলায় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীসহ আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা ব্যয় বহন করা; হলের ডাইনিং ও ক্যানটিন খুলে দেওয়া; ডাইনিং, ক্যানটিন ও ক্যাফেটেরিয়ার খাবারের গুণগত মান বৃদ্ধি ও দাম কমানো; পর্যাপ্ত আধুনিক ফুডকোর্টের ব্যবস্থা করা; নির্মাণাধীন ফুডকোর্টের কাজ শেষ করা, দেয়াললিখন মোছাসহ ক্যাম্পাসের স্বাভাবিক সৌন্দর্য বৃদ্ধির বিষয়ে দাবি জানানো হয়।

Advertisement
Share.

Leave A Reply