fbpx

ঈদের আগেই রেকর্ড পরিমাণ রেমিটেন্স পাঠাচ্ছে প্রবাসী যোদ্ধারা

Pinterest LinkedIn Tumblr +

এপ্রিল মাসে দেশে প্রবাসীরা ২০৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ১৭ হাজার ৫১০ কোটি টাকা। এটি গত বছরের এপ্রিল মাসের তুলনায় প্রায় ৮৯ শতাংশ বেশি। গত বছর এপ্রিলে তারা দেশে ১০৯ কোটি ৩০ লাখ ডলার পাঠিয়েছিলেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, প্রবাসীরা চলতি অর্থবছরের ১০ মাসে প্রায় ২০ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৩৯ শতাংশ বেশি।

গত অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল মাসে প্রবাসী যোদ্ধারা ১৪ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছিলেন।

ব্যাংক কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে ঈদ। আর ঈদকে কেন্দ্র করে প্রবাসীরা সবসময়ই বেশি অর্থ পাঠান। সে কারণেই একক মাস হিসেবে এপ্রিলে বেশি রেমিটেন্স এসেছে।

অন্যদিকে, গত বছর মার্চ- এপ্রিলে বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস সংক্রমণ বাড়তে থাকে। তখন বিভিন্ন দেশে লকডাউন থাকাসহ নানা কারণে এপ্রিলে রেমিটেন্স কমেছিল।

চলতি অর্থবছর শেষ হতে এখনও দুই মাস বাকি। অথচ এপ্রিল পর্যন্ত ১০ মাসেই গত অর্থবছরের চেয়ে সাড়ে ১৩ শতাংশ বেশি রেমিটেন্স চলে এসেছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে দেশে ১৮ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলারের রেমিটেন্স এসেছিল।

চলতি অর্থবছরের ১০ মাসের মধ্যে সাত মাসেই দুই বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিটেন্স দেশে এসেছে। ২০২০ সালের শেষ মাস ডিসেম্বরে এসেছিল ২০৫ কোটি ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, করোনার প্রভাব প্রবাসীদের রেমিটেন্স পাঠানোতে ভাটা ফেলতে পারে নি। এছাড়া প্রবাসীরা অবৈধ পথে রেমটেন্স পাঠানোও বন্ধ করেছেন। এজন্য সরকার প্রবাসীদের ২ শতাংশ হারে নগদ প্রণোদনাও দিচ্ছে। তাই এই প্রবাসীরা দেশে বেশি বেশি রেমিটেন্স পাঠাচ্ছেন।

করোনার কারণে বিশ্ব ব্যাংক পূর্বাভাস দিয়েছিল, মহামারীর ধাক্কায় ২০২০ সালে দক্ষিণ এশিয়ার রেমিটেন্স ২২ শতাংশ কমবে। আর বাংলাদেশে কমবে ২০ শতাংশ।

কিন্ত বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সেই পূর্বাভাস সত্যি হয় নি। ভারতে রেমিটেন্স ৩২ শতাংশ কমে গেলেও বাংলাদেশে বেড়েছে ১৮ দশমিক ৬৬ শতাংশ।

দেশের অর্থনীতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে প্রবাসীদের পাঠানো এই রেমিটেন্স। দেশের জিডিপিতে রেমিটেন্সের অবদান ১২ শতাংশের মতো।

Share.

Leave A Reply